অবহেলিত জনপদ ছৈতননগর বিশ্বনাথের কয়বরখালি খাল পরিদর্শণ করলেন উপজেলা প্রকৌশলী

222
Spread the love

বিশ্বনাথ (সিলেট) প্রতিনিধি : সিলেটের বিশ্বনাথে স্বাধীনতার ৪৫বছরেও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি উপজেলার ছৈতনগর ও ছালিয়া গ্রামের শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় জনগণের চলাচলের রাস্তায়। সেই সাথে ওই রাস্তার কয়বরখালি নামক খালের উপর একটি মাত্র সেতুর জন্যে বিশ্বনাথ-জগন্নাথপুর ও ছাতক উপজেলার হাজার হাজার জনগণ চরম কষ্টে চলাফেরা করতে হচ্ছেন। ওই এলাকায় গেলে মনে হয় যেন লোকজন একটি অজানা জগতে বসবাস করছেন। ওই এলাকায় কোনো উন্নযনের ছোঁয়াই লাগেনি। ফলে অবহেলিত জনপদে পরিণত হয়েছে। জাতীয় সংসদ, উপজেলা ও ইউনিয়ন নির্বাচন আসলেই প্রার্থীদের কাছে ওই অবহেলিত জনগণের কদর বাড়ে। তখন মাটির রাস্তায় কাঁধামাটির উপর দিয়ে হলেও প্রার্থীরা ভোটের জন্যে তাদের কাছে যান। উন্নয়ন করার প্রতিশ্রুতিও দেন। কিন্তু নির্বাচন শেষে আর কোনো জনপ্রতিনিধি তাদের খবর রাখেন না। ছৈতনগরের শাহ-জালাল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে কয়বরখালি খাল পর্যন্ত মাত্র এক থেকে দেড় কিলোমিটার সড়ক পাঁকা করা হলে স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসাগামী শিক্ষার্থী এবং ওই এলাকার যাতায়াত ব্যবস্থা অনেকটা উন্নত দেখা যেত। দীর্ঘ কয়েকটি বছর কষ্টের পর সেই অবহেলিত এলাকার জনগণ এখন উন্নয়নের জন্য ফুঁসে ওঠছেন। কিছুদিন পূর্বে কয়বরখালি খালের উপর একটি সেতু নির্মাণের দাবিতে বাঁশের সাঁকো উপর তারা মানববন্ধন করে। আর ওই মানববন্ধনের খবর ছবিসহ বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় ছাপা হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার অবহেলিত জনপদ আর সেতু নির্মাণের স্থানটি নিজেই পরিদর্শন করেছেন উপজেলা প্রকৌশলী খোন্দকার গোলাম শওকত। এসময় তার সাথে ছিলেন সাইট ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস শহিদ ও ‘বাঁচাও বাসিয়া’ ঐক্য পরিষদের আহবায়ক ফজল খান। সেখানে গিয়ে দেখা যায় স্থানীয় জনসাধারণ সেচ্ছায় মাটি কেঁটে খালের উভয় পাশে ‘এপ্রোস’ সড়ক নির্মাণ করছেন। তখন উপজেলা প্রকৌশলীকে দেখে স্থানীয় জনসাধারণ অনেক আনন্দিত হয়ে সেখানে একটি সেতু নির্মাণের দাবি জানান। সেখানে একটি সেতু নির্মাণের জন্য প্রকৌশলী তার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করবেন বলে আশ্বাস দেন।


Spread the love