ঈশ্বরদীর মুলাডুলি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ

59
Spread the love

200 copyঈশ্বরদী প্রতিনিধি : পাবনার ঈশ্বরদীর মুলাডুলি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নামজারিসহ নানা বিষয়ে জমির মালিকদের বিভিন্ন ভাবে হয়রানী করা ও একজন অফিস স্টাফের মাধ্যমে চাহিদা মোতাবেক অর্থ আদায় না হওয়া পর্যন্ত কোনো কাজ করা হয় না। চাহিদা মোতাবেক অর্থ না দেওয়া পর্যন্ত জমির মালিকদের না কৌশলে ঘোরানো ও হয়রানী করা হয়। মুলাডুলি ইউনিয়নের ভুক্তভোগী জমির মালিকদের দেওয়া অভিযোগ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, মুলাডুলি ইউনিয়ন ঈশ্বরদীর একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা। এখানে মোট জমির পরিমান ৮৭৯৫ দশমিক ৭৬ একর। মৌজার পরিমান ২৬টি। হাট বাজার ২টি। জলমহল ৭টি। মোট খাস জমির পরিমান ২৩৯ দশমিক ১৩ একর। এ এলাকার বেশির ভাগ মানুষই দিনমজুর, কৃষি ও সবজি চাষের সাথে জড়িত। শিক্ষার হারের দিক দিয়ে পিছিয়ের থাকা এ এলাকার সহজ সরল মানুষের সংখ্যাই বেশি। এ সরলতার সুযোগে ভুক্তভোগী জমির মালিকদের জমির নামজারিসহ নানা কাজে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে আসতে হয় । সুযোগ বুঝে অফিসের একজন স্টাফের মাধ্যমে প্রত্যেকটি নামজারি কেসে অতিরিক্ত চার/পাঁচ হাজার করে টাকা আদায় করা হয়। এ পরিমান টাকা দিতে যারা ব্যর্থ হন তাদের নানা ভাবে নাজেহাল ও ঘোরানো হয়। অফিস চলাকালীন অনেক সময় ইউনিয়ন সহকারি ভূমি কর্মকর্তাকে অফিসে পাওয়া যায় না। আবার অফিসে থাকলেও চেয়ারে বসে এবং অফিসের নির্দিষ্ট বিছানায় ঘুমিয়ে থাকার অভিয়োগ রয়েছে। কোনো বিষয়ে তিনি উচ্চ পর্যায়ের রাজনীতিবিদ ও সাংবাকিদের রির্পোট লেখাকেউ ভয় পান না বলে এলাকার প্রচার রয়েছে। এসব সকল অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে মুলাডুলি ইউনিয়ন সহকারি ভূমি কর্মকর্তা নাজমুল হুদা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, নিয়ম মাফিক নামজারিসহ সকল কাজ সম্পন্ন করা হয়। অফিস স্টাফের মাধ্যমে অর্থ আদায় এবং সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ সংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়টিও অস্বীকার করেন।


Spread the love