উত্তরাঞ্চল থেকে বিলীন হচ্ছে গ্রাম বাংলার লোকজ সামগ্রী

135
Spread the love

dhচিরিরবন্দর দিনাজপুর প্রতিনিধি : দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলাসহ গোটা উত্তরাঞ্চল থেকে দিনে দিনে  হারিয়ে য্যতে বসেছে গ্রাম বাংলার ঐতহ্যিবাহী লোকজ সামগ্রী। এখন ওই সব সামগ্রী রূপকথার গল্পমাত্র এবং বিলুপ্ত হয়ে স্থান চপেয়েছে কাগজে কলমে, বইয়ের পাতায়।এক সময় আমাদের গ্রাম বাংলার ঘরে ও বাইরে কাজ করার জন্য যে জনিসিগুলি খুব গুরুত্বর্পূণ ছিল ঢেকি জাঁতা তাদরে মধ্যে উল্লখেযোগ্য। গ্রাম বাংলার কৃষাণ কৃষাণীরা নবান্নর উৎসব পালন করতো ঢেকি ও জাতার সাহায্য।অগ্রহায়ন মাসে মাঠ থেকে রোপা আমন ধান ঘরে তোলার পর ধানকে চাউলে পরিণত করতো ঢেকির মাধমে।
যেমন তারা পল্লী কবি জসমিুদদ্দিনের সুরে বলতো
’ও বউ ধান ভানরেে ঢেকিতে পাড় দিয়া,
ঢেকি নাচে বউ নাচে হেলিয়া দুলিয়া
ও বউ ধান ভানেরে ।”
তখন গ্রামের সকল মানুষের বুঝতে বাকী থাকতো না উমুক বাড়ীতে ধান ভাঙার কাজ শুরু হয়ে গেছে।এ বাড়ীর ধান ভাঙার কাজ শুরু হয়ে গলেে তাদরে দেখা দেখি অন্যান্য বাড়ীতে ঘুম থেকে  যেগে ধান ভাঙার শুরু করে দিত। কাকডাকা ভোর থকেে শুরু করে তারা দুপুর র্পযন্ত এ কাজে ব্যস্ত থাকতো। জাতা দ্বারা গুড়ো করা আটা দিয়ে কৃষাণীরা শীত মৌসুমে বিভিন্ন সুস্বাদু পিঠা, পায়েস, তৈরী করতো।র্বতমানে আমরা যা খায় তা ভেজালযুক্ত, নোংরা পরিবেশে তৈরী, অপবিত্র খেয়ে থাকি। গ্রমের মা বোনেরা আগেই মুড়ির ধান থেকে চাউল তৈরী করে রাখতো আসর নমাজ আদায় করে মুড়ি ভাজার কাজটি শুরু করে দিতো।সে মা বোনরে হাতে ভাজা মুড়ি কতই না মজা লাগতো। ঘ্রাণে আপন মনে খতেে ইচ্ছা করতো। এখন বাজার থকেে ভজোল যুক্ত, রাসায়নকি সার যুক্ত মুড়ি, চিড়ার সে স্বাদ লাগে না, খতেে ইচ্ছা হয় না। মুখেদিলে কেমন অরুচি ভাব লাগে।এমন কোন কৃষকের  বাড়ী ছিল না যে বাড়ীতে ঢেকি জাতা ছলি না। র্বতমানে তথ্যপ্রযুক্তরি যুগে রূপসী বাংলার ঢেকি জাতা ব্যবহার প্রায় বলিুপ্ত হয়ে পড়ছে।এ গুলোকে সংরক্ষন ও সংগ্রহ করার কোনই ব্যবস্থা নেই। গ্রামীণ ওই সব লোকজ শিল্প গুলোকে সংরক্ষণ করা না হলে এক সময় আর খুঁজে পাওয়া যাবে না।
আগামী প্রজন্ম এ গুলো চিনতে পারবে না। ব্যবহার বুঝতে পারতে না। শুধু ১ বৈশাখে ঘটা বাংলা র্নবর্বষ পালন করলে, পান্তা ইলিশ খেলে, মুড়ি, উখড়া, পাঞ্জানী, পাইজাম, ধুতি পড়লে কিংবা সে দিন মাটির কলস, মটির পাতিল, টাপর তোলা গরু-মহিষের গাড়ী বর-বধু সেজে বাংলা নবর্বষ পালন করলে হবে না। প্রতিদিন এগুলো সংরক্ষক করতে হবে, ব্যবহার বাড়াতে হবে।


Spread the love