একসঙ্গে এই প্রথম তারা চারজন

157
Spread the love

image_2068_261329বিনোদন রিপোর্ট : ঈদে আরিফখানের নাটক/টেলিছবি মানেই হচ্ছে বিশেষ চমক। বিগত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে আরিফ খান চেষ্টা করে আসছেন চমকের সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে। তাই আসছে কোরবানী ঈদেও আরিফ খান তার নির্মাণ চলতি টেলিছবিতে রেখেছেন বিশেষ চমক। এবারই প্রথম তার নির্দেশনায় একই টেলিফিল্মে অভিনয় করছেন আফজাল হোসেন, সুবর্ণা মোস্তফা, মাহফুজ আহমেদ ও পূর্ণিমা। হায়দার সাহেবের খুব আদরের ছোট বোন মীরা। কিন্তু যুবরাজের মতো গর্দব প্রকৃতির একজন ছেলেকে কীভাবে মীরা বিয়ে করতে পারে তা হায়দার সাহেব’র বোধগম্য নয়। যে কারণে হায়দার সবসময়ই নিজেকে যুবরাজ’র কাছ থেকে দূরে দূরে রাখেন। কিন্তু একসময় হায়দার সাহেবের বাড়িতে এসে উপস্থিত হয় মীরা ও যুবরাজ। কিন্তু হায়দার ও যুবরাজ দু’জনের কেউই কাউক সহ্য করতে পারেনা। এরমাঝে নতুন উপদ্রব হিসেবে হায়দার সাহেবের বাড়িতে এসে উপস্থিত হন রুনা। যুবরাজ এবং রুনা’কে অবশেষে কীভাবে সামাল দেন হায়দার সাহেব তাই নিয়েই ‘আমার বেলা যে যায় ‘ টেলিছবির গল্প। এটি রচনা করেছেন বদরুল আনাম সৌদ। গত ২২ আগস্ট থেকে রাজধানীর উত্তরার একটি শুটিং হাউজে টেলিছবিটির শুটিং শুরু হয়েছে। এতে অভিনয় প্রসঙ্গে মাহফুজ আহমেদ বলেন,’ আফজাল ভাই আমার অভিনয়ের আদর্শ। আমার অভিনয় জীবনের শুরু থেকে তিনি আমাকে অনেক উৎসাহ দিয়ে আসছেন। দীর্ঘদিন তারসঙ্গে দেখা হয়না, আড্ডা দেয়া হয়ে উঠেনা। আরিফ খানের টেলিছবিতে কাজ করার সুবাদে সেই সুযোগটাই হলো। যুবরাজ একটি নতুন চরিত্র। কাজটি করে সত্যিই দারুণ উপভোগ করছি আমি। এবারের ঈদে এই টেলিছবির মাধ্যমে দর্শক নতুন কিছুই দেখতে পাবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।’ পূর্ণিমা বলেন,’ টেলিছবিটির গল্পই মূলত আমাকে খুব আগ্রহী করে তুলেছে কাজটি করতে। তাছাড়া যখন পরিচালকের মুখে আফজাল ভাই, সুবর্ণা আপা এবং মাহফুজ ভাইয়ের নাম শুনেছি তখন যেন কাজ করার আগ্রহ আরো বেড়ে যায়। বিরতির পর এমন একটি কাজের মাধ্যমে ছোটপর্দায় ফেরাটা আমার জন্য সত্যিই অনেক আনন্দের।’ পরিচালক আরিফ খান জানান আসছে ঈদে এনটিভিতে প্রচারের লক্ষ্যে ‘আমার বেলা যে যায়’ টেলিফিল্মটি নির্মিত হচ্ছে। এই টেলিছবির আরো কয়েকটি বিশেষদিক হচ্ছে প্রথমবারের মতো আফজাল হোসেন ও সুর্বনা মোস্তফার সঙ্গে অভিনয় করছেন পূর্ণিমা। তিনবছর বিরতির পর পূর্ণিমা অভিনয় করছেন মাহফুজ আহমেদের বিপরীতে। এই প্রথম একই টেলিছবিতে একসেঙ্গ অভিনয় করছেন আফজাল হোসেন ও সুবর্ণা মোস্তফা।


Spread the love