গাইবান্ধায় যমুনা নদীর ভাঙনে এক হাজার পরিবার গৃহহীন

106
Spread the love

গাইবান্ধা প্রতিনিধি : image_2075_262326গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় যমুনা নদীর পানি কমলেও দেখা দিয়েছে তীব্র নদীভাঙন। ভাঙনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ প্রায় ১ হাজারের বেশি পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়েছে। নদী ভাঙনের শিকার পরিবারগুলো কেউ ওয়াপদা বাঁধে, কেউ অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে। কেউ বা পার্শ্ববর্তী মুক্তিনগর ইউনিয়নে আশ্রয় নিয়েছে। হুমকির মুখে পড়েছে ৫টি গ্রামের প্রায় ১০ হাজারের বেশি বাড়ীঘর।
ভাঙন আতঙ্কিত মানুষ নদীর ভাঙনের এলাকা থেকে বাড়ীঘর সরিয়ে নিচ্ছে। নদীর ভাঙন কাছাকাছি চলে আসায় গোবিন্দী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সরিয়ে নেয়া হয়েছে গত মাসে।
ভাঙনে গৃহহারা গোবিন্দী ও বাঁশহাটা গ্রামের জামাল, শরবেস আলী বলেন, গত দুইদিনের ভাঙনে ঘরের যেটুকু জায়গা ছিল তা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এখন আমরা অন্যের বাড়ীতে আশ্রয় নিয়েছি। সাঘাটা ইউপি মোশারফ হোসেন সুইট জানান, গত কয়েক বছর আগে বগির ছাও, শেংগুয়া, কোয়ালীকান্দি, চকপাড়া নদীগর্ভে চলে গেছে। বর্তমানে গোবিন্দীতে ৩শ, বাঁশহাটায় ১শ, উত্তর সাথালিয়ায় ৯০, হাটবাড়ীতে ২শ পরিবারসহ প্রায় ১ হাজার পরিবারের ঘরবাড়ী নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। স্কুল, মাদ্রাসা, মসজিদ, রাস্তাসহ ফসলি জমি নদীভাঙনে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ভাঙন অব্যাহত থাকলে চলতি বছরে গোবিন্দী ও বাঁশহাটা গ্রাম দুটি যমুনা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। এছাড়াও সাঘাটা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের হাটবাড়ী গ্রামটি পুরো নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
ভাঙন প্রতিরোধে জরুরি ব্যবস্থা না নেয়া গেলে সাঘাটা ইউনিয়নটির ৮০ ভাগ এলাকা আগামী কয়েক বছরের মধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার আশংকা রয়েছে। এ ব্যাপারে গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী চন্দ্রশেখর জানান, নদীভাঙনের আপদকালীন জিও ব্যাগ ভাঙন এলাকায় ফেলানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। স্থায়ী কোন ব্যবস্থা ইতিমধ্যে করা সম্ভব হচ্ছে না।


Spread the love