গাজীপুরে শিক্ষানবিশ আইনজীবি সোহেল হত্যায় ৫ জনের ফাঁসি

75
Spread the love

Adv-Murderনিজস্ব প্রতিবেদক : গাজীপুরে ২০০৮ সালে ভাষা শহীদ আব্দুল জব্বারের নাতি ও শিক্ষানবিশ আইনজীবি ফিরোজ্জামান সোহেলকে হত্যার দায়ে মা ও তিন ছেলেসহ ৫ জনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেক আসামিকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানার দন্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে গাজীপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক মো. ফজলে এলাহী ভূইয়া এ আদেশ দেন। দন্ডপ্রাপ্ত আসামীরা হলো- গাজীপুরের মধ্য ছায়াবীথি এলাকার রফিকুল ইসলামের বাড়ির ভাড়াটিয়া ও পটুয়াখালি জেলার বাউফল থানার মধ্য মদনপুরার মীরা বাড়ি এলাকার আব্দুর রউফের স্ত্রী আমেনা বেগম (৫৩), আব্দুর রউফের তিন ছেলে সজল (২৮), মো. তিথি (৩১) ও বাপ্পি (৩৩) এবং কাপাসিয়ার ফুলবাড়িয়া গ্রামের কফিল উদ্দিন মাস্টারের ছেলে বাদল (৪২)। আসামিদের মধ্যে আমেনা বেগম, সজল ও বাপ্পি পলাতক রয়েছে। মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০০৮ সালের ৯ মার্চ সন্ধ্যায় পূর্ব শত্রæতার জের ধরে বাড়ী থেকে ডেকে নিয়ে সন্ধা ৬টার দিকে গাজীপুর শহরের দক্ষিণ ছায়াবিথী এলাকায় তিথিদের ভাড়া বাসার সামনে আসামীরা দা, চাপাতি, চাকু, বটি, ও ছোরা দিয়ে কুপিয়ে ও আঘাত করে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার সোহরাব উদ্দিন ভান্ডারীর ছেলে ফিরোজ্জামান সোহেলকে আহত করে। পরে গুরুতর আহতাবস্থায় তাকে প্রথমে গাজীপুর সদর হাসপাতাল ও পরে ঢাকার মোহাম্মদপুর থানাধীন লাল মাটি এলাকার ইস্টার্ন হাসপিটাল এন্ড মেডিকেল সার্ভিস সেন্টারে নেয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ মার্চ সকাল অনুমান ৭ টার দিকে সোহেলের মৃত্যু হয়। পরে এ ব্যাপারে সোহেলের পিতা বাদী হয়ে ওই বছরের ১১ মার্চ জয়দবেপুর থানায় ৮ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে ৫ জনের নামে ঐ বছরের ১০ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। দীর্ঘ ৮ বছর শুনানী ও উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে বৃহস্পতিবার দুপুরে পেনাল কোড ৩০২/৩৪ ধারায় অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক ৫ জনের ফাঁসির আদেশ এবং প্রত্যেকের ১০ হাজার টাকা করে জরিমানার দন্ড প্রদান করেন। রায়ে বাদীপক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করেন।


Spread the love