গাবতলীর কাগইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের সাংবাদিক সম্মেলন

68
Spread the love

pic shopun 12.11.15ফজলুল হক কাগইল (বগুড়া) : গতকাল বিকেলে বগুড়া গাবতলীর ১নং কাগইল ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে ইউপি চেয়ারম্যান শফি আহম্মেদ স্বপন পরিষদের বিভিন্ন চলমান সমস্যা, অনিয়ম, দুনীতি ও জটিলতা তুলে ধরে সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে পাঠ করেন। সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে শফি আহম্মেদ স্বপন উল্লেখ করেন আমি দীর্ঘদিন যাবত সাময়িক ভাবে বরখাস্ত থাকার পর পরবর্তীতে  বিজ্ঞ আদালতের নিদের্শে গত ২০এপ্রিল ২০১৫ইং মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগ কাগইল ইউনিয়ন পরিষদের পরবর্তী নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত আমাকে চেয়ারম্যান পদে স্ব-পদে বহালের আদেশ প্রদান করেন উক্ত আদেশ প্রাপ্তির পর স্থানীয় সরকার বিভাগ উপ-সচিব ১৪ মে ২০১৫ইং আদেশ কার্য্যকর করার জন্য বগুড়া জেলা প্রশাসক বরাবরে পত্র প্রদান করেন। এরপর জেলা প্রশাসক গত ২৯ মে ২০১৫ইং গাবতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে এ আদেশ কার্যকর করার জন্য পত্র প্রেরন করেন। এরপর গাবতলী ইউএনও ৫জুলাই ২০১৫ইং জেলা প্রশাসক বগুড়া বরাবরে পত্রপ্রেরন করেন। তিনি পত্রে উল্লেখ করেন বিজ্ঞ আদালতের রায়ের আলোকে স্থানীয় সরকার বিভাগ ও বগুড়া জেলা প্রশাসক ব্যবস্থা গ্রহন করিতে বলিলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইন্টারনেট বা তিনি আদেশ হয় নাই মর্মে পত্রে উল্লেখ করেন। যাহা আমার বিরুদ্ধে চক্রান্তের বহিঃ প্রকাশ। আমি পুনরায় মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগের আবেদন করিলে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগের সিনিয়র আইনজীবি এ্যাডঃ ইউছুফ হোসেন হুমায়ুন, উপ-সচিব স্থানীয় সরকার বিভাগ, গাবতলী  বিজ্ঞ আদালতে আদেশ কার্য্যকর না করায় বিজ্ঞ আদালত অবমাননা করার কারন দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেন। নোটিশ প্রাপ্তির পর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কথামত আমি সচিব বরাবরে যোগদান পত্র প্রদান করে ইউনিয়ন পরিষদের কাজ কর্ম শুরা করি। এরপর গত ৯মাস দায়িত্বে থাকা ১নং প্যানেল চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন বিভিন্ন প্রকল্পের ফাইল কাগজপত্রে দেখতে পাই সে ইতিমধ্য ১% ভূমি হস্তান্তর কর বাবদ ২০১৪-২০১৫ইং অর্থবছরে ৩ লক্ষ ৫০পঞ্চাশ হাজার টাকার মধ্যে দুই লক্ষ টাকা প্রকল্প করে ১ লক্ষ ৫০ পঞ্চাশ হাজার টাকা কোন ফাইল বা হিসাব নেই। ১% ভূমি হস্তান্তর কর বাবদ ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকার ফটোষ্ট্যাট মেশিন ও ল্যাবটপ ক্রয়ের প্রকল্পের টাকা উত্তোলন করিলেও জিনিসপত্র ইউনিয়ন পরিষদে নেই বা ক্রয় করা হয় নাই। এলজিএসপির একই প্রকল্পে ৩বার বরাদ্দ নেওয়া হইয়াছে। সবচেয়ে বড়  দুর্নীতি কাগইল ইউনিয়ন পরিষদের ট্যাক্স আদায়। তাহার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া প্রয়োজন। তিনি আরোও বলেন আমি মুক্তিযোদ্ধার সন্তান তাই আমিসহ আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায়  ভূগছি। ফলে ষড়যন্ত্র কারীরা যেকোন সময় আমাকে ও আমার পরিবারকে বিভিন্ন ভাবে হয়রানীমূলক মিথ্যা মামলায় শিকার হতে পারি। বিষয়টি আপনাদের মাধ্যেমে সংশ্লিষ্ট উদ্বধন কর্র্তৃপক্ষ সুদৃষ্টি কামনা করছি। সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য আমিরুল ইসলাম, কাগইল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ আহবায়ক সাবিনা আক্তার লিথি, যুগ্ম আহবায়ক মাকছুমুল হাকিম রিপু, গাবতলী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি ফারুক আহম্মেদ, কাগইল ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগ আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলম, যুগ্ম-আহবায়ক শামীম মিয়া, কাগইল ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি মিকরাইল ইসলাম, সাবেক ইউপি সদস্য আছির উদ্দিন, সমাজসেবক আমজাদ হোসেন, আলম মিয়া, আছালত, লিটন সুত্রধর প্রমূখ।


Spread the love