গোলাপগঞ্জে চন্দরপুর – সুনামপুর সেতুর নামফলক দূর্বৃত্তদের তৃতীয়বারের মতো মুছে ফেলার চেষ্টা

71
Spread the love

গোলাপগঞ্জ (সিলেট) প্রতিনিধি : সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার চন্দরপুর সুনামপুর সেতুর নামফলক তৃতীয়বারের মতো দূর্বৃত্ত কর্তৃক মুছে ফেলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে কে বা কারা এ ঘটনার মূল অপরাধী তা এখনো পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।গোলাপগঞ্জ বিয়ানীবাজারবাসীর স্বপ্নের সেই সেতুটি নিয়ে চলছে ষড়যন্ত্র। নামফলক মুছে ফেলার চেষ্টায় দূর্বৃত্তরা এখন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তারপরও প্রশাসনের নীরব ভূমিকা পালন করছে। আর এ নিয়ে জনমনে নানান প্রশ্ন বিরাজ করছে। যে কোন সময় অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটারও আশংকা করছেন এলাকাবাসি। অনেক জল্পনা কল্পনার অবসান শেষে গত বছরের ২০ আগষ্ট মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ সেতুটি উদ্বোধন করেন। হাসি ফুটেছিল গোলাপগঞ্জ বিয়ানীবাজারের মানূষের মুখে। তবে চন্দরপুরের ‘চ’ যেন কাল হয়ে দাড়িয়েছে কতিপয় দূর্বৃত্তের কাছে। একে একে তারা ৩ বার চন্দরপুরের সেই ‘চ’ অক্ষরটি মুছে ফেলার চেষ্টা করেছে। প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক উদ্বোধনের একদিনের মাথায় ২১ আগষ্ট দূর্বত্তরা নামফলক থেকে ‘চ’ অক্ষরটি মুছে ফেলার চেষ্টা করে। পরে স্থানীয় ও চন্দরপুরবাসী ক্ষুদ্ধ হয়ে উঠলে গোলাপগঞ্জ থানা পুলিশ কর্তৃক তা সংশোধন করা হয়। পুলিশি নজরদারীতে থাকে নামফলকটি। তবে প্রথম থেকেই এ ঘটনার মূল অপরাধী কে বা কারা তার কোন ক্লু বের করতে পারেনি পুলিশ।
এ ঘটনার প্রায় পৌনে ৪ মাস পর আবার চলতি বছরের জানুয়ারীর প্রথম দিকে দূর্বৃত্তরা চন্দরপুরের সেই ‘চ’ অক্ষরটি মুছে ফেলার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। ক্ষুদ্ধ ও প্রতিবাদী হয়ে উঠে বৃহত্তর চন্দরপুর বাসী। তবে চলতি মাসের শেষে আবার সেই ঘটনার পূণরাবৃত্তি ঘটে যায়। দৃর্বত্তরা তৃতীয়বারের মতো সেতুর পশ্চিম পাড়ের নামফলকের ‘চ’ অক্ষরটি কালো কালি দিয়ে মুছে ফেলার চেষ্ঠা করে। যার ফলে বৃহত্তর চন্দরপুর ও সুনামপুর এলাকাবাসীর মধ্যে দেখা দেয় ক্ষুদ্ধ পরিস্থিতি। পরিস্থিতি বলে যে কোন সময় অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে যেতে পারে। ৩ বার একটি ঘটনার পূণরাবৃত্তি ও প্রশাসনের নীরবতা এলাকায় নানান প্রশ্নের উঁকি দিচ্ছে। শেষ পর্যন্ত কি ভয়াবহ কোন পরিস্থিতিতে পড়তে যাচ্ছে সেতুটি। এ ঘটনার সুষ্ট তদন্ত ও জটিলতা নিরসনে বৃহত্তর চন্দরপুরবাসীর পক্ষ থেকে অভিযোগ দেয়া হয় জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও থানা বরাবরে। ক্ষুদ্ধ বৃহত্তর চন্দরপুরবাসী। কি তাদের অপরাধ। কেনইবা বারবার তাদের নাম মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়।
এ ব্যপারে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশরাফুল আলম খাঁন ও গোলাপগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ এ কে এম ফজলুল হক শিবলী বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি। শীঘ্রই ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এ ব্যাপারে বৃহত্তর চন্দরপুরের বিশিষ্ট সমাজসেবী ফলিক খান ও এলাকাবাসীর কয়েকজন বলেন, আমরা এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে প্রশাসনকে অবহিত করেছি। সুনামপুর এলাকার পরিচয়হীন গুটি কয়েক দূর্বৃত্ত কর্তৃক এমন হীন কর্মকান্ড এলাকার জন্য ভয়াবহ পরিস্থিতি ডেকে আনবে। আমরা বৃহত্তর চন্দরপুরবাসী মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করে এর সুষ্ঠ সমাধান চাই। আমরা আশাবাদী প্রশাসনও এ ব্যাপারে সুন্দর সচেষ্ট ভুমিকা রাখবে।

Spread the love