ঘূর্ণিঝড় ‘সিডর’র আট বছর আজ

116
Spread the love

barguna_sidreবরিশাল প্রতিনিধি : আজ ১৫ নভেম্বর। ঘূর্ণিঝড় সিডরের আট বছর আজ। ২০০৭ সালের এই দিনে বাংলাদেশের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ঘূর্ণিঝড়ে বিধ্বস্ত উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষ এখনো পুরোপুরি ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারেনি। সিডরে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বরিশাল, পিরোজপুর, পটুয়াখালী, ভোলা, সাতক্ষীরা, লক্ষ্মীপুর, ঝালকাঠিসহ প্রায় ৩১টি জেলার মানুষ। তখন সরকারিভাবে দু’হাজার ২১৭ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়।২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর সিডর নামের ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে বাংলাদেশের উপকূলে।  সেদিন সন্ধ্যা নাগাদ উপকূল অতিক্রম করে রাতে দেশের ওপর দিয়ে বইয়ে যায় প্রলয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড় সিডর। সিডরের তান্ডবে ছিন্ন ভিন্ন হয়ে যায় গ্রামীণ জনপদ। গাছ-পালা উপড়ে যায়, ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত হয়ে যায়। প্রলয়ংকরী সিডরে খুলনায় ৫৬জন, বাগেরহাটে এক হাজার ১’শ ৮জন, পিরোজপুরে পাঁচ’শ ৫০, বরগুনায় ১ হাজার পাঁচশো একজন, পটুয়াখালীতে চারশ ৬৬ ও ভোলায় ৫৩জন মানুষের মৃত্যু হয়। প্রলয়ংকরী এই ঘূর্ণিঝড়ের আট বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো নিরাপদে নেই উপকূলের মানুষ। ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারেনি প্রান্তিক এ সব জনগোষ্ঠী ঘূর্ণিঝড়ে নষ্ট হয় প্রায় ছয় লাখ টন ধান, ২১হাজার হেক্টর জমির ফসল। ধ্বংস হয় প্রায় নয় লাখ ৬৮ হাজার ঘরবাড়ী।  সুন্দরবনের পশুর নদীতে বেশ কিছু হরিণের মৃত্য দেহ ভাসতে দেখা যায়। সিডরের আঘাতের পর পরই উন্নত বিশ্বের দেশগুলো সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেও এখনো ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি সহায় সম্বলহীন মানুষরা।


Spread the love