চারঘাটে মাইকিং করে দুই গ্রামের সংঘর্ষে নিহত ১ আহত ৫ আটক ২

18
Spread the love

নাজিম হাসান,রাজশাহী থেকে : রাজশাহীর চারঘাটে মাইকিং করে দুই গ্রামের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছে। এসময় আহত হয়েছেন অন্তত পাঁচজন। সংঘর্ষের সময় একটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে। শনিবার উপজেলার শিবপুর ও পুঠিয়া উপজেলার দীঘলকান্দী গ্রামের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম রেজাউল ইসলাম (৫৫)। তার বাড়ি উপজেলার শিবপুর গ্রামে। বাবার নাম মৃত হালিম উদ্দিন ওরফে হাকিম।গতকাল শনিবার বেলা সোয়া ৩টার দিকে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে আনা হয়। এবং সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতাল পুলিশ বক্স তার মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করেছে। এদিকে এ সংঘর্ষের ঘটনায় দীঘলকান্দী গ্রামের দুই যুবককে আটক করেছে চারঘাট থানা পুলিশ। এলাকাবাসি সূত্রে জানাগেছে, কয়েকদিন আগে শিবপুর এলাকার কয়েকজন যুবককে মারধর করে মোটরসাইকেল কেড়ে নেন দীঘলকান্দী গ্রামের কয়েকজন যুবক। এ বিষয়টি নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে দুই গ্রামের মানুষের মাঝে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছিল। এবং গতকাল শনিবার সকাল ১০দিকে মাইকিং করে দুপক্ষই লোকজন জড়ো করতে থাকে। এসময় খবর পেয়ে ছুটে যান চারঘাট সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার নুরে আলম সিদ্দীকি, চারঘাট উপজেলা চেয়ারম্যান ফকরুল ইসলাম ও চারঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম। তারা দুপক্ষকে নিয়ে সমঝোতার চেষ্টা করেন। দুপুর ২টার দিকে হঠাৎ করে দীঘলকান্দী গ্রামের সবুজ আলী ও আবু শামা দেশীয় অস্ত্র হাতে শিবপুর গ্রামের লোকদের উপর হামলা চালান। এতে আবারও শুরু হয় সংঘর্ষ। পরে ঘটনাস্থল থেকে দেশীয় অস্ত্রসহ সবুজ ও আবু শামাকে আটক করে পুলিশ। এবিষয়ে যোগাযোগ করা হলে চারঘাট থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম জানান, গত কয়েকদিন ধরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুগ্রামবাসীর ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটছিল। আমরা দুপক্ষকে নিয়ে সমঝোতার চেষ্টা করছিলাম। এরই মধ্যে আবার সংঘর্ষ ঘটে। আহতদের হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। কেউ মারা গেছে কিনা আমার জানা নেই। তবে আমরা বাড়ি বাড়ি অভিযান চালাচ্ছি। পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করছি।


Spread the love