টাইব্রেকারে অবিশ্বাস্য বাংলাদেশ!

163
Spread the love

image_2063_260770স্পোর্টস রিপোর্টার : ফাইনাল সামনে রেখে ফাহিদ-শাওনদের প্রতিশ্রুতি ছিল নির্ভার হয়ে মাঠে সেরাটা দেওয়া। সাফ ফুটবল অনূর্ধ্ব-১৬ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নির্ধারিত সময়ে সেটা করেও দেখাল তারা। কিন্তু এরপর টাইব্রেকারে যে চমক দেখাল বাংলাদেশের কিশোররা, তাতে খোদ কোচও বিস্ময়ে অভিভূত! সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার নির্ধারিত সময়ের খেলা ১-১ গোলে ড্র হলে টাইব্রেকারে গড়ায় ম্যাচের ভাগ্য। সেখানে ৪-২ গোলে ভারতকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো সাফের চ্যাম্পিয়ন হয় বাংলাদেশ। ম্যাচে শেষে এ প্রতিবেদকের কাছে শিষ্যদের টাইব্রেকারের শটগুলো নিয়ে বিস্ময়ের কথা জানান কোচ সৈয়দ গোলাম জিলানী। ফাইনাল টাইব্রেকারে গড়াবে, এমন ভাবনা নিয়ে ছেলেদের কোনো অনুশীলন করাইনি।
অনুশীলনের অংশ হিসেবে যতটুকু করা দরকার, ততটুকু করিয়েছি। কিন্তু ওরা যেভাবে শট নিয়েছে, তা আমার কাছেও অবিশ্বাস্য। শাওন-সাদদের কারও বয়স ষোলো পার হয়নি। এই কিশোররা পেশাদার ফুটবলারের মতো শট নিয়েছে স্নায়ুর চাপে ঠাসা টাইব্রেকারে। দায়িত্ব নেওয়ার মাসখানেকের মধ্যে শিষ্যদের এমন খেলা দেখে আনন্দে ভাষা হারিয়ে ফেলার মতো অবস্থা জিলানীর। সত্যি বলতে কি, (টাইব্রেকারে) ওদের কাছ থেকে আমি এতটা পাওয়ার আশাই করিনি। শিষ্যদের প্রশংসা করতে গিয়ে কোচের কথাগুলো মোটেও বাড়াবাড়ি নয়। ভারতের অধিনায়ক ও গোলরক্ষক প্রভসুখান সিংয়ের প্রথম পরীক্ষা নিতে এলেন ফাহিম মুর্শেদ, একটু জোরে নেওয়া শটে অতিথি গোলরক্ষকের বাঁ দিক দিয়ে লক্ষ্যভেদ করলেন বাংলাদেশের এই মিডফিল্ডার। ভারতের সৌরভ মেহেরের গোলের পর বাংলাদেশকে ফের এগিয়ে দেন জাহাঙ্গীর আলম সজীব, প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের উল্টো দিকে ছিটকে দিয়ে আলতো টোকায় লক্ষ্যভেদ করেন এই ডিফেন্ডারও।
বিস্ময়ের তখনো বাকি। ভারতের মোহাম্মদ রাকিপের শট ফেরাতে পারেনি বাংলাদেশ গোলরক্ষক ফয়সাল আহমেদ। ২-২ গোলের সমতায় ম্যাচ। এবার ভারত অধিনায়ককে আলতো শটে বোকা বানালেন আতিকুজ্জামান। আর চতুর্থ শটে সিংকে ঠায় দাঁড় করিয়ে রেখেই বল জালে পাঠিয়ে গোল উৎসবটা সেরে নেন সাদউদ্দিন।


Spread the love