ঠাকুরগাঁওয়ের একটি গ্রামকে নিরক্ষর মুক্ত করলেও সরকারি সহযোগীতার অভাবে দিন কাটাচ্ছে তার পরিবার

87
Spread the love

1441713390_thakurgaon-allamin20150908153258 মোঃ তোফায়েল ইসলাম ঠাকুরগাঁও : ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫ সারা দেশে  আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবস    দিবস পালন করলেও ঠাকুরগাঁওয়ে অনাহারে দিন কাটাচ্ছেন রাষ্টীয় পদক পাওয়া পরিবার এই পরিবারের সাহায্যে এগিয়ে আসতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচার হলেও রাষ্ট্রসহ এগিয়ে আসেনি কেউ। ফলে সহযোগীতার অভাবে তার পরিবার এখন মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন। ১৯৭৩ সালে ততকালিন রাষ্ট্রপতি আবু সাঈদ ও শিক্ষা মন্ত্রী ইউসুফ আলী সদর উপজেলার সালান্দর ইউনিয়নের কচুবাড়ি কৃষ্টপুর গ্রামে এসে বাংলাদেশের প্রথম নিরক্ষর মুক্ত গ্রাম হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষনা দেন। তার এ কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ দেয়া হয় রাষ্ট্রীয় সন্মাননা। এরপর থেকে তিনি গ্রামটিকে নিরক্ষর মুক্ত রাখতে আজীবন কাজ করে গেছেন নিঃস্বার্থভাবে। দারিদ্রতার কারনে ২০০৭ সালের  চিকিৎসার অভাবে মারা যান। এতে আরো অসহায় হয়ে পরেন তার পরিবার। মোকছেদ আলী ছেলে-আল আমিন, স্থানীয় শিক্ষক ও এলাকাবাসির অভিযোগ, গ্রামটিকে নিরক্ষর মুক্ত করায়
বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন সুযোগ সুবিধা পাওয়া যায়নি। বর্তমানে পরিবারের ৬জন সদস্য অর্থের অভাবে কোন রকমে দিন পার করছেন। অবহেলায় পরে আছে মোকছেদ আলীর কবরটিও। প্রধাণমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ জানিয়ে তারা বলেন, মোকছেদ আলী’র ছেলে শিক্ষিত তাই তার একটি সরকারি চাকুরির ব্যবস্থা করা হলে পরিবারের অভাব অনটোন অনেকটাই দুর হতো। আর কবরটি রক্ষানাবেক্ষনের জন্য সরকার ব্যবস্থা নেবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তারা। ৮ সেপ্টেম্বর আর্ন্তজাতিক স্বাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে মোকছেদ আলী’র কবর দেখতে মানুষের ভীড় করে। স্বাধীনতার পর সদর উপজেলার সালান্দর ইউনিয়নের কচুবাড়ি কৃষ্টপুর গ্রামের মোকছেদ আলী তরুনদের সংঘবদ্ধ করে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে গ্রামটিকে নিরক্ষর মুক্ত করেন। এ বিষয়ে সদর উপজেলা সালন্দর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফজলে এলাহী মুকুট চৌধুরী জানান, আমরা মোকছেদ আলী’র পরিবারের জন্য কিছুই করতে পারিনি। আমি আশা করি সরকারিভাবে তার পরিবারকে সহযোগীতা করবেন।


Spread the love