ঠাকুরগাঁওয়ের শুরু হয়েছে শীতের আগমন বার্তা

56
Spread the love

7920আরিফ হাসান ,ঠাকুরগাঁও : দিনের বেলায় যেমনি ভাবে রোদের প্রখর তাপ, তেমনিভাবে সন্ধাটা হলেই মৃদ কুয়াশায় মুখোরিত হচ্ছে ঠাকুরগাঁওয়ের পথ-ঘাট। বিন্দু বিন্দু শিশির জমতে শুরু করেছে ঘাসের ডগায়, ধানের শীষে। এই নিয়েই ঠাকুরগাঁওয়ের শুরু হয়েছে শীতের আগমন বার্তা।আজ ২০ অক্টোবর, শীতের পূর্ব ঋতু হেমন্তের পঞ্চম দিন। হিমালয়ের নিকটবর্তী ঠাকুরগাঁও  জেলায় শীত নামে বেশ আগে ভগেই। এবারো এর ব্যাত্যয় ঘটেনি। মধ্য আশ্বিনের পর থেকেই শুরু হয়েছে হালকা কুয়াশা । ক্রমেই তা ভারি হচ্ছে। ক’দিন থেকে সন্ধ্যার পরই শুরু হয়েছে মাঝারি কুঁয়াশা। ভোর পযর্ন্ত হালকা থেকে মাঝারি কুয়াঁশার পরিমান বেড়ে যাওয়ায় সকালে সূর্য উঠার পরও জমির আইল দিয়ে হাঁটলে শরীর ভিজে যাচ্ছে। শীষ বের হওয়া আমন ধানের গাছ সূর্য উঠার অনেক পর পর্যন্ত শিশির লেগে থাকছে । এখন ঠাকুরগাঁও  জেলার সর্বত্র চলছে শীতকে বরণ করার প্রস্তুতি।শীতের রাতে বিছানায় পরিবারের সদস্যদের উষ্ণ রাখতে সবাই ব্যস্ত লেপ-তোষক মেরামত আর নতুন করে তৈরী করতে। উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারগুলোতে এসব তৈরীর কারিগরদের কাজের গতি বেড়ে গেছে। তাদের এখন দম ফেলাবার ফুরসত নেই। জেলার বিভিন্ন লেপ তোষক তৈরীর দোকানগুলোতে দেখা গেছে সব কারিগর ব্যস্ত নতুন লেপ তৈরীতে । কথা বলার সময় নেই তাদের ।কয়েক মাস তাদের হাতে কাজ না থাকায় মৌসুম শুরু হওয়ায় দ্রুত কাজ করে তারা বাড়তি টাকা আয় করছেন। আর যাদের এগুলো তৈরীর সার্মথ্য নেই , তারা ব্যস্ত কাঁথা নিয়ে শীত নিবারণের জন্য এটাই তাদের বড় উপকরণ। পার্বতীপুর উপজেলার লেপ তোষক কারিগর মোস্তাফিজুর রহমান জানান, শীতের মৌসুম শুরু হওয়ায় আমাদের কাজের ব্যস্ততা অনেক বেড়ে গেছে। সারা বছরের রোজগারের উল্লেখযোগ্য অংশ এখনিই সংগ্রহ করতে হবে।উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকার ঘুরে দেখা গেছে, অনেক নারী ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন তাদের পুরনো কাঁথা নতুন করে শেলাই করতে। বাড়ির পাশে গাছের নিচে বসে রং বেরঙের সুতো দিয়ে তারা তৈরী করছেন নতুন কাঁথা । সারা বছর ব্যবহারের পর ছিড়ে যাওয়া শাড়ি আর লুঙ্গি দিয়ে তৈরী হচ্ছে এসব কাঁথা। অপেক্ষাকৃত উচুঁ জমিতে কৃষকরা আবাদ করেছে বিভিন্ন ধরনের শাক সবজি। শাক-সবজি ইতিমধ্যে হাট- বাজার গুলোতে উঠতে শুরু করেছে। শীতের শাক-সবজির দামও বেশ ভাল । হাসি ফুটেছে কৃষকেরমুখেও।


Spread the love