ঠাকুরগাঁও অাগামী দিনের অর্থনীতি সমৃদ্ধশালী হওয়ার সম্ভাবনা

107
Spread the love

13মোঃ তোফায়েল ইসলাম ঠাকুরগাঁও : ঠাকুরগাঁও শহর থেকে  ৩০-৩৫  কিলোমিটার দূরে অবস্থিত  বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ভারতীয় সীমান্তবর্তী পারিয়া ইউনিয়নের কিছু  এলাকা দখল করে নিয়েছে দেশের প্রধান একটি অর্থকরী ফসল চা। এই চা বাগানটির নাম দেয়া হয়েছে ”ইসলাম টি এস্টেট” । উপজেলার নাগর নদীর তীরবর্তী বিস্তীর্ণ বালিয়াড়ি চড়  শুধু মাত্র গোচারণ ভূমি হিসেবেই বছরের পর বছর পতিত অবস্থায় পড়ে থাকত । এই অব্যবহৃত জমিই যেন বর্তমানে  বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সবচেয়ে উর্বর ভূমিতে  পরিণত হয়েছে । ইসলাম টি এস্টেট লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মমিনুল ইসলাম সুমনের সাথে কথা বলে  জানা যায় যে, বালিয়াডাঙ্গীর এই সীমান্ত থেকে ভারতের দার্জিলিং বেশি দূরে নয় । দার্জিলিং এর উন্নতমানের চা পৃথিবীর বিখ্যাত চা । অথচ এত কাছাকাছি থেকেও আমাদের এই বিশাল জমি আমরা এতদিন অনাবাদী রেখেছি । মূলত সেই চিন্তা থেকেই চা বাগান করার সিদ্ধান্ত নেন তার বাবা  আলহাজ্ব মোঃ দবিরুল ইসলাম এম,পি । তারপর থেকেই চলে জমির পরিচর্যা এবং ২০১১ সালে এই বাগানেরর যাত্রা শুরু  হয় । এখন পর্যন্ত দুটি বাগান মিলে ১০০ একরের বেশি জমিতে চা বাগান করা হয়েছে । সেই বাগানের ছায়াবৃক্ষ হিসেবে লাগানো অজস্র গাছ এখানকার প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায়ও গুরত্বপুর্ন ভূমিকা পালন করছে ।এ বাগানের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে প্রায় ৩০০ মানুষ জড়িত । তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে । এ কারণে সীমান্ত এলাকায় আগে ঘটে যাওয়া অনেক অপরাধমূলক কর্মকান্ড এখন কমে এসেছে । ভবিষ্যতে চা বাগান ছাড়াও পর্যটন আকর্ষণ তৈরির মাধ্যমে আরও অনেক মানুষের কাজের সুযোগ তৈরি করা হবে বলে জানান তিনি । সুমন আরও জানালেন এখন পাতা চয়ন করে পঞ্চগড়ে বিক্রি করা হলেও খুব শীঘ্রই এখানেই কারখানা স্থাপন করা হবে এবং বানিজ্যিক ভাবে চা উৎপাদন করা হবে । এই চা বাগানে স্থানীয় মানুষের কাজের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে যেমন দারিদ্র দূরীকরণ হচ্ছে তেমনি অদূর ভবিষ্যতে চা রপ্তানি করে দেশের অর্থনীতিতে বেশ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করছেন বাগান কর্তৃপক্ষ ।


Spread the love