ঠাকুরগাঁও আবহেলিতভাবি চলছে কমিউনিটি কিনিকের কার্যক্রম

57
Spread the love

Thakurgaon1443700993মোঃ তোফায়েল ইসলাম,ঠাকুরগাঁও : ঠাকুরগাঁও জেলার বিভিন্ন   প্রত্যন্ত অঞ্চলে কমিউনিটি কিনিকের মাধ্যমে জনগণের স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম ভেঙে পড়েছে। এগুলো বেশির ভাগ ওষুধ সঙ্কটে পড়ে চিকিৎসা  সেবা থেকে রোগীরা বঞ্চিত হচ্ছেন । এসব এলাকার স্থানীয় জনগণ অভিযোগ করেন ইদানীং খুবই অল্প সময়ের জন্য কমিউনিটি কিনিকগুলো খোলে,  আবার তাড়াতাড়ি বন্ধ হয়ে যায়। এভাবে কোনরকমে  চলছে কিনিকগুলো । সরকারি তথ্য মতে স্বাস্থ্যসেবা সাধারণ মানুষের নাগালে পৌঁছে দেয়ার জন্য   ছয় হাজার লোকের জন্য একটি করে কমিউনিটি কিনিক নির্মাণ করে সরকার ইউনিয়নপর্যায়ে । ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় , পীরগঞ্জ, উপজেলায়, রানীশংকৈল, বালিয়াডাঙ্গী ও হরিপুর উপজেলায় ১৩৭টি কমিউনিটি কিনিক রয়েছে। সাধারণ লোকজন জানান, সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত. কিনিকগুলো খোলা থাকার কথা থাকলেও বেশির ভাগ কিনিক বন্ধ হয়ে যায় দুপুরের আগেই। এগুলোতে  জ্বর, মাথাব্যাথা ও ডায়রিয়াসহ বিনামূল্যে ৩১টি রোগের সেবা দেওয়ার  কথা থাকলেও দেয়া হচ্ছে মাত্র দু-একটি রোগের ওষুধ।  তাই. বাধ্য হয়ে  চিকিৎসার জন্য রোগীদের যেতে হচ্ছে  হাসপাতালে। ফলে ভোগান্তির পাশাপাশি অতিরিক্ত টাকা গুনতে হচ্ছে তাদের।  চিকিৎসা নিতে আসা এক ভুক্তভোগী  শরিফা আক্তার অভিযোগ করে বলেন, ‘জ্বর, মাথাব্যাথা নিয়ে কিনিকে ওষুধের জন্য এসেছি কিন্তু তারা বলছেন এখানে ওষুধ নেই। তিনি সারা আমাকে আরো অনেক ভুক্তভোগী জানান তার চাহিদা অনুযায়ী চিকিৎসা  নিতে পারছেন না । এ ব্যাপারে  কমিউনিটি কিনিকের কর্মচারীরা মানতে নারাজ, তারা জানান আমরা  নিয়মিত কিনিকে আসি । রোগী না থাকায় দুপুরের পর কিনিক বন্ধ রাখা হয়। এ দিকে ঠাকুরগাঁও জেলার ১৩৭টি কিনিকের ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে বেশির ভাগ কমিউনিটি কিনিক একেবারেই অচল। এ ব্যাপারে ঠাকুরগাঁও সিভিল সার্জন ডা: নজরুল ইসলাম বলেন, কমিউনিটি কিনিক এখন গ্রামীণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বিশ্বের মডেল। এ ছাড়া জেলার বেশির ভাগ কমিউনিটি কিনিক খুবই ভালো সেবা দিচ্ছে। হয়তো ছোটখাটো কিছু সমস্যা থাকতে পারে। সেগুলোর ব্যাপারে খোঁজখবর নেয়া হবে। ওষুধ সঙ্কট সম্পর্কে তিনি বলেন, এটি একটি প্রকল্পের আওতায় চলে। দুই মাস থেকে আমরা প্রকল্প হতে কোনো ওষুধ পাই না। তাই ওষুধের সঙ্কট দেখা দিয়েছে।


Spread the love