ঠাকুরগাঁও ঈদ আনন্দ সীমাবদ্ধ বড় মাঠেই

88
Spread the love

Thakurgaon-Eid-mala-pic-1মোঃ তোফায়েল ইসলাম,ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : ঠাকুরগাঁওয়ে কোনো বিনোদন কেন্দ্র না থাকায় যাবতীয় আনন্দ উৎসাহ উপভোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এ জেলার মানুষ। বিশেষ করে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহায় বিনোদনের অভাবে অবসর সময় কাটিয়ে অথবা স্থানীয় বড় মাঠে আড্ডা দিয়ে সময় পার করতে হয় শহরের ও দূর থেকে ঈদ করতে আসা মানুষগুলোকে।  বলা যেতে পারে ঠাকুরগাঁও শহরের মানুষের ঈদ আনন্দ স্থানীয় বড় মাঠেই সীমাবদ্ধ। প্রতি ঈদে শিশুদের জন্য এ মাঠে তিন দিন ব্যাপি মেলা বসে। মেলায় নাগরদোলা, মাটির পুতুল, কাঠের গাড়িসহ ছোট বাচ্চাদের খেলনার সমাহার ঘটে। তবে এই দুই ঈদে এ মাঠ মিলন মেলায় পরিণত হয়। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ আসে এ মেলায়। বহুদিন কাছের মানুষের সঙ্গে দেখা হয়না এ মাঠে এলেই দেখা পাওয়া যায় তাদের।  ঈদ বাদেও প্রতিদিন বিকেলে শহরের মানুষের মিলন মেলা বসে বড় মাঠে। এজন্য মাঠের চারপাশে বসে চটপটি ফুচকাসহ নানান খাবারের দোকান। বিকেল হলেই সব বয়সের মানুষ উপস্থিত হয় মাঠে। এদের মধ্যে কেউ দৌড়াচ্ছে, কেউবা খেলছে, কেউ দল বেধে গল্প করছে। যে যার মতো সময় কাটায়। এমন চিত্র প্রতিদিনের। ঈদের ৩য় দিন বিকেলে স্বামী ও বাচ্চা নিয়ে ঘুরতে এসেছেন পপি। সঙ্গে চাচাতো বোন। কথা হয় তাদের সঙ্গে। এ সময় পপি জানান, ‘বড় মাঠ আমাদের শহরের একটি ঐতিহ্য। ছোটবেলায় ঈদ বা বছরের অন্য যে কোনো সময় এখানে বন্ধু-বান্ধব নিয়ে আড্ডা দিতাম। বিয়ে হওয়ার পর এখন আর তেমন একটা আসা হয় না এখানে। বছরের দুই ঈদে বাড়িতে এলে বড় মাঠে আসতে ভুলি না।’ শহরের সরকারপাড়া এলাকার আরমান হোসেন বলেন, ‘ঠাকুরগাঁওয়ে সরকারি ভাবে কোন বিনোদন কেন্দ্র গড়ে ওঠেনি। তাই প্রতি বছরের ন্যায় ছেলেদের বিনোদনের জন্য বড় মাঠে নিয়ে এসেছি। একই মাঠে ঘুরতে আসা সাইফুল  ইসলাম বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করতে মানুষ এই মাঠে আসে। তিনি সরকারি ভাবে ঠাকুরগাঁওয়ে বিনোদন কেন্দ্র গড়ে তোলার দাবি জানান।


Spread the love