ঠাকুরগাঁও কুকুর নিধন বন্ধ মানুষের চেয়ে কুকুরের মুল্য বেশি

56
Spread the love

dog20150623142821মোঃ তোফায়েল ইসলাম ,ঠাকুরগাঁও : ঠাকুরগাও জেলার  রাণীশংকৈল উপজেলায় নিরবিগ্নে   চলছে কুকুরের রাজত্ব। এদের বিচরণে অতিষ্ট হয়ে উঠেছে  সাধারন মানুষ। দখল করে নিয়েছে তারা রাস্তা, হাট-বাজার। এরা দলবদ্ধ হয়ে মানুষের উপর আক্রমন করে কামড় দেয়। ক্ষত-বিক্ষত করে ফেলে সমস্ত শরীর। এদের অবাধ বিচরণে রাস্তায় মোটর সাইকেলের সাথে ধাক্কা লেগে দুর্ঘটনা ঘটছে। এমনকি এসব দুর্ঘটনায় প্রাণ হানিরও কথা শোনা যায় সর্বত্রই কুকুর যেন মানুষের কাছে আতংক হয়ে দাঁড়িয়েছে, কুকুর এর ভোয়ে শিশুরা স্বাধীনভাবে স্কুলে যেতে পারছেনা। নামাজিরা ফজরের সময় কুকুরের ভয়ে অনেকে মসজিদ ছেড়ে বাড়িতেই নামাজ আদায় করছেন। দিন দিন বাড়ছে কুকুরের কামড়ের রোগী। সরকারি হাসপাতাল ছাড়াও বেসরকারি ক্লিনিকগুলোতে প্রতিদিন রোগী আসতে দেখা যাচ্ছে। ঔষধ বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্যমতে তারা প্রতিদিন ডজন খানেক করে প্রতিশেধক ইনজেকশন বিক্রী করে থাকেন।  সম্প্রতি উপজেলার প্রাণকেন্দ্র পাবলিক লাইব্রেরী এলাকায় পারুল আক্তারসহ দুই জনের দুইটি ছাগল কুকুরের আক্রমনে মারা গেছে। এমন ঘটনা উপজেলার সর্বত্রই দেখা যায়। জানা গেছে  চলতি বছরে উপজেলায় প্রায় তিন শতধিক মানুষ কুকুরের কামড়ে আক্রান্ত হয়েছে। অন্যদিকে গত ১ বছরে ২৮ জন মানুষ কুকুরের কামড়ে মারা গেছে বলে একটি এনজিওর তথ্যমতে পাওয়া যায়। মানুষ মারা যায় কিন্তু কুকুর মারা যায় না। কারণ কুকুর মারার ব্যাপারে দাতা দেশ গুলো বিধি নিষেধ দিয়েছে প্রাণী হত্যা করা যাবে না। কুকুর একটি প্রাণী একে মারলে দাতা দেশগুলোর সাহায্য বন্ধ হয়ে যাবে। আর সাহায্য বন্ধ হয়ে যাবার ভয়ে কুকুর মারা বন্ধ রয়েছে। এটাই এখন নীতিমালা। কুকুরের বংশ বৃদ্ধি রোধ করার কোন দরকার নাই। বিদেশীদের ইচ্ছায় সব। মানুষের জীবনের কোন মূল্য নেই। কুকুরের চেয়ে মানুষের জীবনের মূল্য অনেক কম। জেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, কুকুর নিধন করা যাবেনা মর্মে নীতিমালা থাকায় দিন দিন কুকুর বাড়ছে। দলবদ্ধ থাকায় এরা মানুষ পশু পাখির উপর অনায়াসে আক্রমন চালায়। এদের থেকে সাবধান থাকতে হবে। আগের তুলনায় কুকুরের কামড়ের রোগী দিন দিন বাড়ছে। রাণীশংকৈল পৌর মেয়র মখলেসুর রহমান বলেন, কুকুর মারার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা থাকায় কুকুর নিধন সম্ভব নয়। আমাদের ইচ্ছা থাকলেও তা পারছি


Spread the love