ঠাকুরগাঁও গরু-ছাগলের কেনাবেচা জমে উঠেছে শেষ মুহূর্তে

104
Spread the love
more

wমোঃ তোফায়েল ইসলাম ও মো আল আমিন ইসলাম ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি, ঠাকুরগাঁও শেষ মুহূর্তে ঠাকুরগাঁওয়ে পশুর হাটগুলোতে গরু-ছাগলের জমে উঠেছে বেচাকেনা । হাটগুলোতে গতবারের মতো এবারও ভারতীয় গরুর চেয়ে দেশি গরু বেশি বিক্রি হচ্ছে। দেশি জাতের গরুর আমদানি বেশি হওয়ায় অন্যান্য বারের তুলনায় এবার গরুর দাম কম। জানা গেছে, জেলার বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে সীমিত আকারে ভারতীয় রোগাক্রান্ত গরু আশপাশের হাটগুলোতে প্রবেশ করছে। শিবগঞ্জের গরু ব্যবসায়ী কামাল উদ্দীন জানান, ভারতীয় গরুর বেশ চাহিদা ঢাকা, চট্টগ্রাম, ফেনীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে। এ জন্যই হাটে গরু তুলতে পারলেই বিক্রি নিয়ে আর কোনো ভাবনা থাকে না। জেলার সর্ববৃহৎ গরুরহাট হিসেবে পরিচিত নেকমরদ, লাহিড়ী, খোচাবাড়ি, মাদারগঞ্জ হাট। এছাড়াও জেলার বিভিন্ন উপজেলার হাটগুলোতে গরু বিক্রি অব্যাহত রয়েছে। দেশের দূর-দূরান্ত থেকে পাইকার ও বেপারীরা ওইসব হাটে এসে গরু কিনে নিয়ে যায় ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। এ বছর এসব পশুহাটে অপেক্ষাকৃত বেশি দেশি গরুর আমদানি হয়েছে। লাহিড়ী হাটের গরু ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম জানান, শেষ মুহূর্তে হাটগুলোতে দেশি গরুর চাহিদা ব্যাপক বেড়ে যাওয়ায় ব্যবসায়ীদের চোখে আশার আলো সঞ্চারিত হচ্ছে। হাটগুলোতে বড় সাইজের গরু ৫০ থেকে ৬৫ হাজার,মাঝারি ৩০ থেকে ৪০, ছোট ২০থেকে ২৮ হাজার এবং ছাগল ৫ থেকে ১৫ হাজারটাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হচ্ছে। ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপার ফারহাত আহমেদ জানান,জেলার পশুর হাটগুলোতে জাল টাকা ছড়িয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করতে না পারে সেজন্য জাল টাকা শনাক্তকরণ মেশিনসহ অফিসার ও ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে


Spread the love
more