ড্রেজার বসিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন

55
Spread the love

মিষ্টার আলী মিলন,বগুড়া : বগুড়ার ধুনটে যমুনা নদীতে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে স্থানীয় এক প্রভাবশালী নেতা অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ফলে ৪৬ কোটি টাকা ব্যায়ে সদ্য নির্মিত নদীর ডান তীর সংরক্ষন প্রকল্প হুমকির মুখে পড়েছে দেখার কেউ নেই। প্রশাসন নিরব। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ধুনটের পূর্ব পাশে বহমান যমুনা নদী। রাক্ষুসে যমুনার ভাঙ্গন ঠেকাতে ২০১৪-২০১৫ অর্থ বছরে ধুনট উপজেলার পুকুরিয়া থেকে ভান্ডারবাড়ী পর্যন্ত ৪৬ কোটি টাকা ব্যায়ে ১২শ মিটার নদীর তীর সংরক্ষন প্রকল্পের কাজ সদ্য সমাপ্ত হয়েছে। ওই প্রকল্পের ভান্ডারবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের দক্ষিন পাশে ভুতমারী গ্রামে ভান্ডারবাড়ী ইউনিয়নে যমুনার বুকে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে গত এক সপ্তাহ যাবত অবৈধভাবে বালু উত্তোন করে বিক্রি করে আসছেন এক প্রভাবশালী। নদীর গভীর তলদেশ থেকে এভাবে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে পাইপের সাহায্যে বালু উত্তোলনের কারনে নদীর গভীরতা সৃষ্টি হয়ে নদী ভাঙ্গন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এছাড়া প্রকল্পের নিকট ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলনে ইতিমধ্যেই কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত নদীর ডানতীর সংরক্ষন প্রকল্প হুমকির মুখে পড়েছে। এবিষয়ে ভান্ডারবাড়ী গ্রামের আব্দুর রশিদ ও আব্দুল জলিল বলেন, বর্তমানে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। পানি বৃদ্ধির কারনে এমনিতেই যমুনায় ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। তারপর আবার ড্রেজার মেশিন বসিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে। তাই বর্ষার শুরুতেই নদী ভাঙ্গন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এভাবে বালু উত্তোলন অব্যাহত থাকলে নদী ভাঙ্গন ঠেকাতে সরকারের বরাদ্দকৃত কোটি টাকার প্রকল্প যমুনার জলে ভেসে যাবে। এছাড়া বালু পরিবহনে অতিরিক্ত ট্রাক চলাচলের কারনে রাস্তার বেহাল দশায় পরিনত হয়েছে। ধুনট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, বালু উত্তোলনের বিষয়টি কেউ অবগত করেনি। তবে কেউ অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করলে অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে গ্রহণ করা হবে।


Spread the love