তাহিরপুরে উত্তর বড়দল ইউপি নির্বাচনে প্রার্থীরা দলীয় সমর্থনের জন্য র্শীষ নেতৃ বৃন্দের দোয়ারে দোয়ারে

107
Spread the love

জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া,তাহিরপুর (সুনামগঞ্জ) : সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন কে সামনে রেখে উত্তর বড়দল ইউনিয়নের বাজার ও গ্রামের রাস্তা ঘাটে ব্যানার,ফেস্টুন শুভেচ্ছা সংবলিত পোষ্টারের সয়লাভ। এসবের দিকে তাকেলেই বুজা যাচ্ছে নতুন ও পুরাতন চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মাঝে চেয়ারম্যান পদটি কত মূল্যবান। গেল কোরবানী ঈদ ও দুর্গা পূজায় সাম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীরা নিজেদের পরিচিতি,দোয় ও শুভেচ্ছা বিনিমিয়রে মধ্যে দিয়ে সময় পার করেন ভোটারদের মাঝে। নির্বাচন কমিশন দলীয় প্রতীকে নির্বাচনের ঘোষনায় পর দলীয় সমর্থন পাবার আশায় উত্তর বড়দল ইউপির সাম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীগন রাতের ঘুম হারাম করে ধরনা দিচ্ছেন উপজেলা,জেলা,বিভাগীয় র্শীষ নেতাদের কাছে। বর্তমানে জনগনের চেয়ে দলীয় সমর্থন পাওয়া টাই গুরুত্বর্পূন হয়ে পড়েছে। কে পাবে দলীয় সমর্থন নামের সোনার হরিণটি এই আলোচনাই এখন ইউনিয়নের বিভিন্ন হাট-বাজারের দোকান গুলোতে। তাই মূল্যবান এই পদ টি আকরে ধরার জন্য ও দলীয় সমর্থনের পাবার আশায় প্রার্থীরা বার বার যাচ্ছে র্শীষ নেতৃবৃন্দের দোয়ারে দোয়ারে। আর নিরুত্তাপ উত্তেজনা আর প্রচারনায় নিমুজ্জিত আছে জামায়াত সমর্থিত ও নতুন প্রার্থীরা কারন এবার নির্বাচন পূর্বের ন্যায় ডালাও ভাবে হচ্ছে না। তারাও যে ভাবেই হউক দলীয় সমর্থন চাইছেন নেতৃবৃন্দের কাছে। নির্বাচনী এলাকায় নিয়োগ দিয়েছে সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যান প্রার্থীগন তাদের কর্মী সমর্থকদের। তারাই এখন খুব জোরালো ভাবে প্রচার প্রচারনা চালাচ্ছে আর সাম্ভাব্য প্রার্থীরা বেশি সময় দিচ্ছেন দলীয় সমর্থন আদায়ে। দলীয় সমর্থন নামের সোনার হরিণ ধরতে বিএনপি,আ,লীগ ও জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীরা র্শীষ স্থানীয় নেতাদের কাছে তুলে ধরছেন জনগনের মধ্যে তাদের গ্রহন যোগ্যতা,দলীয় কাজের পরিমান ও নিজের স্বার্থ বিস্বর্জন দিয়ে দলের জন্য ত্যাগের প্রমান। আবার অনেকেই চালাচ্ছেন অর্থের জোড়ে দলীয় সমর্থন ভাগীয়ে আনার আপ্রান চেষ্টা। এই ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের বিরোদ্ধে রয়েছে যাদুকাটা নদীতে চাদাঁবাজির মাধ্যমে বালু উত্তোলন ও পাড় কাটার কাজে সহযোগীতা,চাঁনপুন,বারেকটিলাও লাউড়েরগড় সীমান্তের চোরাচালানীদের সহযোগীতা ও যুব সমাজ কে ধংশ করে অবৈধ টাকার মালিক হওয়া,জনগনের জন্য বরাদ্ধ সরকারী চাল,গম চুরি,টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন ভাতা,রিলিফ দেওয়া,নারী কেলেংকারী,রাস্তা-ঘাটের উন্নয়ন না হওয়া সহ নানান অন্যায় কাজের অভিযোগ। নিজেদের অপকর্মের জন্য হয়েছেন আলোচিত,সমালোচিত ও সমাজে ঘৃনীত। তাই এবার সচেতন জনগন সুযোগ বুঝে বাধ সেজেঁছে সাথে তৃনমূল নেতা কর্মীরাও চাইছেন সত্য,যোগ্য,নিলোর্ভ,কর্মঠ নতুন দলীয় প্রার্থী। যাতে করে দলের সম্মানে কথা সমানে রেখে ও জনগনের স্বার্থে এলাকার রাস্তা-ঘাট,কালবাড,স্কুল,কলেজ সহ সামাজিক উন্নয়নের মাধ্যমে জনগনের মাঝে নিজের ও দলের প্রতি আস্তা অর্জন করাতে পারে। এই ইউপির ভোটার সংখ্যা ২০,৫২৭জন,পুরুষ ভোটার ১০,২৩৯জন,নারী ভোটার ১০২৮৮জন। ইউপির নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হল-বর্তমান চেয়ারম্যান জামাল উদ্দিন(আ,লীগ),সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কাশেম(বিএনপি),সাবেক চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিনের ছেলে এনাম উদ্দিন তালুকদার(বিএনপি),সমাজ সেবক আবুল হোসেন (বিএনপি),মহিম উদ্দিন (বিএনপি),মাসুক মিয়া(আ,লীগ),মাওলানা কাশেম(বিএনপি) প্রমুখ। সাবেক চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিনের ছেলে এনাম উদ্দিন তালুকদার বলেন-আমি আমার বাবার মত এলাকার উন্নয়নে সবার সাথে কাধেঁ কাধ মিলিয়ে সুখে দুঃখে পাশে থাকতে চাই। সবাই আমাকে সাহস ও সমর্থন দিচ্ছে এবার দলীয় সমর্থন পেলে নির্বাচন করব।


Spread the love