থেমে গেছে সিলেটে আলী আমজদের ঘড়ির কাটা

136
Spread the love

NM2শারমীন শিলা : চলছে না আলী আমজদের ঘড়ির কাটা। দীর্ঘ ১ বছর থেকে ঘড়ির কাটা রাত ৮টা ২০ মিনিটে আটকে আছে। কর্তৃপক্ষও এ ঘড়িটির ব্যাপারে কার্যত নির্বিকার। তাই ক্ষুব্ধ আপামর নগরবাসী।

এ ঘড়িটি সুদীর্ঘ ইতিহাস কালের স্বাক্ষী। বৃটিশ আমল পরবর্তী ভারত, পাকিস্তান পেরিয়ে এখন স্বাধীন বাংলাদেশ। ঘড়িটি আছে যেই সেই। কিন্তু শুধু বারবার নষ্ট হয়ে যায় ঘটির কাটা। মেরামতও হয়। যথাযথ দেখবালের কারনে ঘড়িটি সচল থাকে না।

ঐতিহাসিক তথ্য মতে, গ্রিনিচ মান সময়ের সঙ্গে সঙ্গতি রেখেই  বর্তমান মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার পৃথিম পাশার জমিদার আলী আমজাদ ১৮৭৪ সালে সিলেট জেলার সুরমা নদীর তীরবর্তী স্থানে এই অনন্য সুন্দর ঘড়ি ঘরটি নির্মাণ  করেন। তাঁর নাম অনুসারে এটি আলী আমজাদ এর ঘড়ি হিসেবে খ্যতি পায়। ১৮৭৪ সালে সিলেট জেলা তৎকালীন আসাম প্রদেশের সাথে একত্রীভুক্ত হয়। তখন এই নিয়ে সিলেটে তথা শ্রীহট্রের মানুষ তীব্র প্রতিবাদী হয়। সিলেটের জনগণকে শান্ত করার জন্য তৎকালীন বড়লাট লর্ড নর্থ ব্রম্নক সিলেট সফর করেন এবং বড়লাটের সফর উপলক্ষে এবং স্থানীয় জনসাধারণের সুবিধার্থে জমিদার আলী আমজাদের নিজ তহবিল হতে এই ঘড়িটি নির্মাণ করা হয়। প্রায় ১৪০ বছর যাবৎ উক্তটি ঘড়িটি আলী আমজাদের স্মৃতি বহন করে আসছে। এটি সিলেট জেলার একটি অন্যতম পর্যটন আকষর্ণীয় স্থান। দেশী-বিদেশী অনেক পর্যটক এই ঘড়িটি একনজরে দেখার জন্য প্রতিনিয়ত ভিড় জমায়। নগরীর  সার্কিট হাউজ ও ক্বিন ব্রিজ সংলগ্ন এ ঘড়ি ঘরটি দৈর্ঘ্য ৯ ফুট ৮ ইঞ্চি প্রস্থ ৮ ফুট ১০ ইঞ্চি নীচ থেকে ছাদ পর্যন্ত উচ্চতা ১৩ ফুট ছাদ থেকে ঘড়ি অংশের উচ্চতা ৭ ফুট  ঘড়ির উপরের অংশের উচ্চতা  ৬ ফুট  মোট উচ্চতা  ২৬ ফুট।


Spread the love