দুই দেশের বিশাল বাজারকে কাজে লাগাতে হবে

152
Spread the love

saj-28নিউজ ডেস্ক  আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশ-ভারত প্রতিবেশী দুই দেশ বাণিজ্য ক্ষেত্রে আরও এগিয়ে যাবে। এ জন্য চাই দুই দেশের একত্রে কাজ করা, বিশাল বাজারকে কাজে লাগানো। বুধবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সৌজন্য সাক্ষাতে এসব বিষয়ে কথা হয়েছে। নয়া দিল্লিতে ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির স্ত্রী শুভ্রা মুখার্জির শেষকৃত্যে অংশ নেওয়ার পর এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নরেন্দ্র মোদির বাসভবনে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে কথা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিশাল বাজারকে কাজে লাগাতে পারলে প্রতিবেশী দুই দেশ বড় কিছু করতে পারবে। দুই দেশের বাজার সম্প্রসারণের আহ্বান জানান তিনি। এ বিষয়ে নিজের আগ্রহের কথা ব্যক্ত করেন মোদি। বাংলাদেশ-ভারত-নেপাল ও ভুটানের মধ্যে সম্প্রতি নেওয়া মোটর ভেহিকেল চুক্তির উদ্যোগকে স্বাগত জানান দুই প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে মোদি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোকে নিয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় যৌথ মহড়া করা প্রয়োজন। জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, এ ধরনের মহড়ার হলে তা হবে প্রশংসনীয় উদ্যোগ। কোনো ‘সমস্যা ছাড়াই’ স্থলসীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়িত হওয়ায় এ ঘটনা বিশ্বের কাছে ‘দৃষ্টান্ত’ হয়ে থাকবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। এছাড়া চুক্তি বাস্তবায়নের কাজ শান্তিপূর্ণভাবে এগিয়ে চলায় সন্তোষ প্রকাশ করে নরেন্দ্র মোদি বলেন, যে কোনো রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেয়ে বাস্তবায়ন বেশ কঠিন। ভারত-বাংলাদেশ তা পেরেছে। মোদি বলেন, চুক্তি সার্থকভাবে বাস্তবায়নের এ ঘটনা নিয়ে রিসার্চ হতে পারে। চলতি বছরের জুন মাসে ঢাকা সফরের অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে মোদি বাংলাদেশের আতিথেয়তার প্রশংসা করেন। পাশাপাশি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনের স্মৃতিচারণ করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী জানান, সেখানে গিয়ে তিনি অভিভূত হয়েছেন। এর উন্নয়নে ভারত আগ্রহী, এজন্য একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে পাঠানোর বিষয়েও তিনি আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর এ সাক্ষাতের সময় উপস্থিত ছিলেন শেখ হাসিনার ছোট বোন শেখ রেহানা ও মেয়ে সায়মা হোসেন পুতুল। এছাড়া আরও ছিলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদ আলী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ, প্রেস সচিব ইহসানুল করিম, ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল ও পররাষ্ট্র সচিব ড. এস জয়শংকর।


Spread the love