ধর্ষককে গণধোলাই-পুলিশে সোপর্দ নন্দীগ্রামে মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষনের পর হত্যা

83
Spread the love

13-03-2015NP1 copyনন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার পল্লীতে মরিয়ম খাতুন(১১) নামের ৬ষ্ঠ শ্রেণীর এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষনের পর হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে ধারণা করছে পুলিশ। স্থানীয় জনতা লম্পট ধর্ষককে আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে। এঘটনায় রোববার দুপুরে ধর্ষিতার পিতা বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে। মামলার বিবরণে ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার থালতা-মাঝগ্রাম গ্রামের দিনমজুর জামেদ আলী একছারের মেয়ে থালতামাঝগ্রাম সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী মরিয়ম খাতুন (১১) প্রতিদিনের ন্যায় শনিবার পিতা-মাতার সাথে রাতের খাওয়া শেষে ছোট ভাইকে নিয়ে পাশের ঘরে ঘুমিয়ে পড়ে। একপর্যায়ে রাত সাড়ে ১১টার দিকে একই গ্রামের বাদশা মিয়ার ছেলে ফরিদ মিয়া(২৮) কৌশলে ঘরের দরজা খুলে ভিতরে প্রবেশ করে দরজা আটকিয়ে দেয়। এরপর ঘুমন্ত মাদ্রাসা ছাত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এসময় তার আত্মচিৎকারে পাশের ঘর থেকে মরিয়মের পিতা-মাতা ছুটে এসে ঘরের দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে। তখন লম্পট ধর্ষক ফরিদ মাদ্রাসা ছাত্রীকে অচেতন অবস্থায় ফেলে রেখে জানালা ভেঙে পালিয়ে যায়। ধর্ষিতার পিতা-মাতার চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে আসে। প্রতিবেশীরা অচেতন ধর্ষিতাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান হাসপাতালে ভর্তি করে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার সকালে মাদ্রাসা ছাত্রী মরিয়ম মারা যায়। এখবর ছড়িয়ে পড়ছে উত্তেজিত জনতা ধর্ষক লম্পটকে খুঁজতে থাকে। একপর্যায়ে স্থানীয় জনতা কাহালু উপজেলার ময়েজবাড়ী হাট এলাকা থেকে লম্পট ধর্ষক ফরিদকে আটক করে উত্তমমাধ্যম দিয়ে নন্দীগ্রাম থানায় সোপর্দ করে। থানায় মামলা দায়েরের পর সহকারি পুলিশ সুপার (শিক্ষানবিশ) রাশেদ হাসান, ওসি হাসান শামীম ইকবাল, সেকেন্ড অফিসার মনিরুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা কুমিড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ(এসআই) গোলক চন্দ্র বর্মন জানান, অতিরিক্ত রক্ত ক্ষরণে মেয়েটি মারা গেছে, নাকি অন্যকোনভাবে হত্যা করা হয়েছে, তা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছেনা। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে।


Spread the love