নাব্য সংকটে বরিশাল নদীবন্দর

111
Spread the love

ss-4বরিশাল প্রতিনিধি : বরিশাল নদীবন্দর টার্মিনাল এলাকা জুড়ে ডুবোচরের কারণে লঞ্চ ভিড়ানোয় ও ছেড়ে যেতে প্রতিনিয়ত সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। প্রতিবছর শুষ্ক মৌসুমে এই সমস্যা নিরসনে খনন করা হলেও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। সম্প্রতি বরিশাল থেকে ঢাকাগামী যাত্রীবাহী পাঁচটি লঞ্চ আটকে যাওয়ার পর টনকনড়ে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষের। তবে বর্তমানে নদীবন্দরে খনন কাজ চললেও এর স্থায়ীত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন লঞ্চচালক ও মালিকরা। লঞ্চ মালিক সমিতির সহ-সভাপতি শেখ আ. রহিম বলেন, ‘খনন স্থান থেকে কাছেই নদীর মধ্যে ড্রেজিংয়ের মাটি ফেলায় তেমন ফল হয় না। ফলে ওই মাটি একইস্থানে আবার ফিরে আসবে। এ ছাড়াও খননের কাজ ভাটায় করা হয় এবং জোয়ারে মাপা হয়। যার ফলে তিন ফুট গভীর খনন থেকে বাদ পড়ে যায়।’ তিনি আরো বলেন, ‘এ সব অনিয়ম রোধে লঞ্চ মালিক সমিতির প্রতিনিধি রাখার কথা বললেও তা করা হয় না। প্রতিবছর খনন না করে স্থায়ী সমাধান করলে এই দুর্ভোগ লাগব হবে বলে তিনি জানান।প্রতিবছর বরিশাল নদীবন্দরের নাব্য ঠিক রাখতে ড্রেজিং করে আসছে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ। তারপরও কয়েকমাসের মধ্যে পলি জমে আগের অবস্থায় ফিরে আসে নদীর নাব্য। ফলে লঞ্চ ভেড়ানো এবং ছাড়ার জন্য জোয়ারের পানির ওপর নির্ভর করতে হয়। লঞ্চ ছাড়ার বিলম্বের কারণে লঞ্চ ব্যবসায়ীদের আর্থিক ক্ষতি ছাড়াও শুনতে হয় যাত্রীদের কটুকথা। গত ২৫ অক্টোবর ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যেতে চাইলে একসঙ্গে পাঁচটি লঞ্চ আটকে যায়। ফলে নির্ধারিত সময়ের দেড়ঘণ্টা পর লঞ্চগুলো ছেড়ে যেতে সক্ষম হয়। এ অবস্থা নিরসনে তড়িঘড়ি করে বিআইডব্লিউটিএ নদীবন্দর টার্মিনাল এলাকা খননের কাজ শুরু করে। তবে এ খনন প্রক্রিয়া ও কার্যকারিতার স্থায়ীত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বন্দর কর্মকর্তা মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘খননের শুরুতে এবং শেষে পরিমাপ করা হয় বলে এখানে অনিয়ম করার কোন সুযোগ নেই।’ বরিশাল নদীবন্দরের নাব্য ফিরিয়ে আনতে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত কাজ করা হচ্ছে বলে জানান বন্দরের এ কর্মকর্তা।


Spread the love