পলাশবাড়ীতে পাটের বাম্পার ফলনের আশা কৃষকদের

48
Spread the love

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধা, প্রতিনিধি : পলাশবাঢ়ীতে তুষাপাটের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনায় চাষি কৃষকদের মুখে ভীষন খুসি খুসি ভাব বিরাজ করছে। প্রচন্ড খড়া উপেক্ষা করে সেচ দিয়ে জমি প্রস্তুত করে তুষাপাটের বীজ বুনেছেন চাষি কৃষকরা । আর বির বা উচু এলাকার কৃষকরা বৃষ্টির উপর নির্ভর করে পাট চাষ করেন। আসাঢ় ও শ্রাবণ মাসের বন্যার পানি আসার আগে পাট কাটা শেষ করতেই আগাম এই পাট চাষের কারণ। উপজেলার কৃষি অফিস সুত্রে জানাগেছে, এবার এই এলাকায় ৩হাজার ৩৬৫হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ করা হয়েছে। এদের মধ্যে দেশী পাট ১০৫হেক্টর ও তোষাপাট ৩হাজার ৮৫০হেক্টর। তোষাপাট ও এম ৯২জাতের ১৫শ হেক্টর,এবং ৯৮৯৭জাতের ২হাজার ৭৫০হেক্টর,ও দেশী পাটের জাত হচ্ছে ডি ১৫৪। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা হিসাবে ধরা হয়েছে প্রতি বিঘায় দেশীপাট ৯.২৬ মণ এবং তোষাপাট ১১ মণ। এ বছরেও ভাল দাম পাবে বলে চাষিরা আশায় অতীতের লোকশান পুষিয়ে উঠার হিসাব কষছে। এখন মাঝে মাঝেই বৃষ্টি হচ্ছে,যা পাটের জন্য খুবই উপকারি বলে জানা যায়। তবে এবার সারের অভাব না হওয়ায় সঠিক সময়ে জমিতে সার দিতে পেরেছে বলে চাষিরা জানান। ইতিমধ্যে অনেক জমিতে পাটের উচ্চতা বারিয়ে ৭থেকে ৮ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়েছে। জানাযায়,পাটচাষে কৃষকদের আগ্রহের মুল কারণ হলো,পাটের উচ্চতা যখন ২ হতে ৩ ফুট লম্বা হয় তখন পাট শাক হিসাবে এর পাতা খুবই গ্রহণযোগ্য। এছাড়া অনেক চাষিই ওই সময় পাট শাক বাজারে বিক্রি করেও লাভের মুখ দেখেন। তাছাড়া পাট খরিও বাজারে বিক্রি করে যতেষ্ট আয় করা যায়। উপজেলার নারায়ান পুরের কৃষক গনি জানান, এ বছরে ৫ বিঘা জমিতে পাটের আবাদ করেছেন তিনি। পাটের শাক খাওয়ার পাশাপাশি সোনালী আঁশ বিক্রি করে পরে পাট খড়ি বিক্রি করেও যতেষ্ট আয় হবে বলে তার আশা। কাশিয়াবাড়ীর কৃষক সাজু মিয়া, জানান,যদি সরকার ধান,চাল ও গমের মতো কৃষকদের নিকট থেকে সরাসরি পাট ক্রয় করত তাহালে কৃষকরা লাভবান বেশী হত। ফড়িয়া ব্যাবসায়ীরা সিন্ডিকেট তৈরী করে এ বাজার নিয়ন্ত্রন করায় বিশাল অংকের লাভটাই চলে যায় তাদের কাছে। তাই এ ব্যাবসায়ীরা যাতে সিন্ডিকেট তৈরী করতে না পারে তা নজর রাখা দরকার। উপজেলা কৃষি অফিসার আজিজুল ইসলাম জানান,চাষিদরে বিভিন্ন বিষয়ে এ চাষে পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।


Spread the love