প্রকাশ্যে মালামাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস বগুড়ার গাবতলীতে যৌন উত্তেজক অবৈধ এনার্জি ডিংক

95
Spread the love

pic gabtail bogra 18.11.15স্টাপ রিপোটার : বগুড়ার গাবতলীতে বিভিন্ন মহলে মাসোহারা দিয়েও শেষ রক্ষ হলো না অনুমতিহীন অবৈধ উপায়ে তৈরীকৃত একাধিক লেভেলে একই পানীয় বাজারজাত করা ড্রাগন ল্যাবরেটরী ইউনানীর মালিক সেলিম রেজার। পুলিশের হাতে ধরাপরে ভ্রাম্যমান আদালত তাকে ১ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ১ লাখ টাকা জরিমানা আনাদায়ে আরো ১ বছরের জেল প্রদান করে। অভিযান চলাকালে ৩টি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। অবৈধ উপায়ে সকল প্রকার পানীয় জন সম্মুখে ধ্বংস করে ফেলা হয়। গুড়িয়ে দেয় কারখানার সকল যন্ত্রপাতি। অভিযানটি চলেছে গতকাল ১৮ নভেম্বর গোলাবাড়ী এলাকায়। অবৈধ কারখানার মালিক দন্ডপ্রাপ্ত সেলিম রেজা (৩২) মহিষাবান ইউনিয়নের মড়িয়া গ্রামের বাচ্চু সোনোরের ছেলে। গ্রেফতারকৃত সহযোগী শহিদুল ইসলাম (৩০) রানীরপাড়া গ্রামের আবুল কালামের ছেলে বলে জানাগেছে। ঘটনার ভোররাতে বগুড়া নিশিন্দারা ৪ আর্মস ব্যাটালিয়ানের এএসপি শামসুজ্জোহা খানের নেতৃত্বে ইন্সপেক্টর জাহিদ আরিফ, এসআই হাসানুল কবির, তারিকুল ইসলাম, ফেরদৗস আলম, আজগর আলী, আশরাফ আলী, সঙ্গীয় ফোর্স গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোলাবাড়ী হাফেজিয়া মাদ্রসা সংলগ্ন সেলিম রেজার ড্রাগন ল্যারেটরী ইউনিানী বাংলাদেশ কারখানায় হানা দেয়। ভেতর থেকে দীর্ঘ সময় কোন সাড়া শব্দ না পাওয়ায় গেটের তালা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে অভিযান পরিচালনাকারী দল। সেখানে সন্ধান মেলে নোংরা পরিবেশে সরকারী অনুমতি বিহিন অবৈধ উপায়ে তৈরীকৃত ৩০ প্রকার বিভিন্ন যৌন উত্তেজক এনার্জি ডিংকের কার্টুন করা বোতল, ছিপিসহ ব্যপাক খালি বোতল বিভিন্ন প্রকার ভিন্ন নামে লেভেল। একই পাত্রে তৈরীকৃত দুর্গন্ধযুক্ত যৌন উত্তেজন ডিংক ও শিশুদের লিচি বিভিন্ন লেভেলে বিভিন্ন দামে দীর্ঘদিন ধরে গোপনে সেলিম রেজা বিক্রি করে আসছিল বলে অভিযান পরিচালনাকারী কর্মকর্তারা জানান। সেলিম রেজার ড্রাগন ল্যারেটরী ইউনিানী বাংলাদেশ’র পক্ষে কোন প্রকার বৈধ কাগজ পত্রাদী দেখাতে দখাতে না পারায় গাবতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাজেদা ইয়াসমিনের নেতৃত্বে একটি ভ্রাম্যমান আদালত ঘটনারস্থানে জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি, সরকারী অনুমতি বিহিন অবৈধভাবে পানীয় তৈরীর অপরাধে মালিক সেলিম রেজাকে ১ বছরের সশ্রম কারা দন্ড ও ১ লাখ টাকা জরিমানা করে। অনাদায়ে আরো ১ বছরের কারাদন্ড প্রদান করে। এসময় মডেল থানার ওসি সহিদ মাহমুদ খান, এসআই লাল মিয়া, ইউএনও অফিস সহকারী বিজল কুমার দাস ভ্রাম্যমান আদালতকে সহায়তা করেন। অবৈধ সকল মালামাল উদ্ধার করে নির্বাহী অফিসার মাজেদা ইয়াসমিনের ভ্রাম্যমান আদালত একটি ফাঁকা স্থানে প্রকাশ্যে জন সম্মুখে আগুন জ্বালীয়ে ধ্বংস করে ফেলে। সাজাপ্রাপ্ত সেলিম রেজা ও শহিদুলকে পুলিশ গ্রেফতার করে নিয়ে আসে। একটি সুত্র জানায় বিভিন্ন মহলকে মাসহারা দিয়ে রাতে গোপনে অবৈধ এই কারখানা দাপটের সাথে চালিয়ে আসছিল সেলিম রেজা। এ ঘটনায় সেলীম রেজা ও শহিদুলের নামে থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে।


Spread the love