প্রধান শিক্ষকের গাফিলতির কারনে বন্ধ হলো গাবতলীর কাগইল হাইস্কুলের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন

64
Spread the love

গাবতলী (বগুড়া) প্রতিনিধি : প্রধান শিক্ষকের অদক্ষতা ও গাফিলতির কারনেই বন্ধ হলো কাগইল করুনা কান্ত উচ্চ বিদ্যালয়ের অভিভাবক কমিটির নির্বাচন। দফাই দফাই প্রধান শিক্ষক মোবারক আলী মন্ডলের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও কোন কুল কিনারা বা সঠিক নির্দেশনা পাচ্ছেনা ভুক্তভোগী অভিভাবক সদস্য প্রার্থীরা। নির্বাচন হবে কিনা সে বিষয়ে প্রার্থী ও ভোটারদের মাঝে সৃষ্টি হয়েছে নানান জল্পনা কল্পনা। জানাগেছে কাগইল করুনা কান্ত উচ্চ বিদ্যালয়ের অভিভাবক কমিটির মেয়াদ শেষ হলে নতুন কমিটি গঠনের লক্ষে গত ০৭/১০/১৫ ইং তারিখ থেকে১১/১০/১৫ইং পর্যন্ত মনোনয়ন পত্র বিক্রিয় ও জমা গ্রহন , ১২/১০/১৫ইং তারিখে মনোনয়ন পত্র বাছাই, ১৫/১০/১৫ইং তারিখে মনোনয়ন প্রত্যাহার ও ক্রমিক নং প্রদান এবং ২৭/১০/১৫ ইং তারিখে ভোট গ্রহন করা হবে বলে তফসিলে উল্লেখ করা হয়। প্রার্থীরা যে যার ক্রমিক নং পেয়ে পোষ্টার ব্যানার লিফলেট এবং কর্মী সমর্থক সাথে নিয়ে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে সাধ্য মতো ভোট প্রার্থনা করে। দির্ঘ ১২দিন পর ভোটের কাঙ্খিত দিনের আগেই ২৬/১০/১৫ ইং তারিখে বিকেল ৪টা ৪৫মিনিটে হঠাৎ ভোট বন্ধ হয়েছে বলে প্রার্থীদের জানানো হয়। কেন ভোট বন্ধ হলো সে ব্যাপারে প্রধান শিক্ষকের সাথে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী কার্তিক চন্দ্র জানান, ২৬/১০/১৫ইং তারিখে মহামান্য আদালতের প্রেরিত পিয়নের দ্বারা এক লিখিত অর্ডারের মাধ্যমে জানতে পারি অভিভাবক সদস্য প্রার্থী আলম মিয়া ক্রমিক নং(৩) এর দায়ের করা এক আবেদনে ভোটার তালিকা ত্র“টিসহ বেশ কয়েকটি কারন দেখিয়ে আদালয়ে আবেদন করেন, মহামান্য বিজ্ঞ আদালত বিষয়টি আমলে এনে উক্ত বিষয়ের ব্যাপারে একটি শোকস নোটিশ করেন এবং ভোট আপাতত স্থগিত ঘোষনা করা হয়েছে বলে বিদ্যালয় কতৃপক্ষ একটি নোটিশ টাঙ্গিয়ে দেয়। এ খবর চারিদিকে ছড়িয়ে পড়লে প্রার্থী ও ভোটারদের মাঝে শুরু হয় নানান জল্পনা কল্পনা। গত ২৮/১০/১৫ইং তারিখ বুধবার ১১টা ৪৫মিনিটে অভিভাবক সদস্য প্রার্থী মাওলানা এনামুল হক,আতাউর রহমান, আব্দুল্লাহেল কাফী দুলাল, রাহেল মন্ডল,হাসানুর রহমান ধলু,রফিকুল ইসলাম ভুট্টা, রতন চন্দ্র মহন্ত ভোট কেন হলো বা ভোট আর হবে কিনা সে ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক মোবারক আলী মন্ডলের সাথে কথা বলতে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি। সহকারী প্রধাণ শিক্ষক বানী, সহকারী শিক্ষক দুলাল চন্দ্র,মাওলানা আব্দুল বারী জানান, প্রধান শিক্ষক কেন স্কুলে আসেনি সে ব্যাপারে তাদেরকে কোন কিছু জানায়নি বা ভোট হবে কিনা সে বিষয়ে তাদের জানা নাই। সচেতন মহলের প্রশ্ন ভোট যদি নাই হবে তাহলে কেনইবা ভুলেভরা ত্র“টিপূর্ণ কাজগ পত্রদিয়ে তফসিল ঘোষনা করে প্রার্থীদের মাঠে নামিয়ে শ্রম ও অর্থের ক্ষতি করা হলো।


Spread the love