ফলো আপ সুনামগঞ্জে পৈন্ডুব গ্রাম পুরুষশূন্য,মাতাব্বররা ধরা ছোঁযার বাহিরে,তীব্র নিন্দার ঝড়,সর্বোচ্চ শাস্তির দাবী

114
Spread the love

attohotta_30847জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া,সুনামগঞ্জ : সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার দক্ষিন শ্রীপুর ইউনিয়নের পৈন্ডুব গ্রামে সদ্য বিবাহিত গৃহবধূকে ধর্ষন করায় অপমানে স্বামীর আতœহত্যার গঠনায় সর্বত্র তোলপার সৃষ্টি হয়েছে। সচ্চার হয়ে উঠেছিল এলাকাবাসী পালিয়ে যেতে চাইলে আটক করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করলে পুলিশ ২ ধর্ষনকারী ও ৫ শালিশকারী সহ ৭জন কে পরে আদলতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করে। ১২মাতাব্বর এখনো ধরা ছোঁয়ার বাহিরে। স্থানীয় প্রভাবশালী মহল এই ঘটনার আপোষ করার জন্য লিপ্ত রয়েছে। পৈন্ডুব গ্রাম সহ তাহিরপুর উপজেলা ও জেলায় সর্বত্র একটিই আলোচনার বিষয় কেন এমন জঘন্য ঘটনা। সরজমিন এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে ২৪আগস্টের রাতের ঘটনায় পর থেকে নিরব-নিস্থবতা,থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে গ্রামটির চারপাশ। সেই সাথে পুরুষ শূন্য হয়ে গেছে গ্রেফতার আতœংকে গ্রামটি। প্রতিবেশীর প্রতি প্রতিবেশীর নিষ্টুর,জগন্য,পাশিবিক নির্যাতন এর প্রতিবাদে স্বামী সমাজের বিচারপতি ও সমাজের নিষ্টুর বিচার প্রথাকে ধিক্কার জানিয়ে আতœহত্যা তা মেনে নিতে পারছে না পরিবারে সদস্য ও স্থানীয় লোকজন। প্রতিবেশী হারানোর বেদনায় ব্যাতিত এলাকাবাসী নিন্দা,ধিক্ষার ও ক্ষোব প্রকাশ করছে সচেতন মহল। স্বামী হারিয়ে নাওয়া খাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে,বার বার মুর্ছা যাচ্ছে স্ত্রী। এই জগন্য ঘটনা কারীদের সবোর্চ্চ শাস্তির দাবী জানান পন্ডুব গ্রামবাসী। যেন ভবিষ্যত্বে এমন জগন্য কাজ করেতে গেলে বুক কেপে উঠে,শিউড়ে উঠে। এলাকাবাসী জানান-ঘটনার পরপর বৃহস্পতিবার বিকালে পুলিশ প্রশাসনের উর্ধবতন কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। স্থানীয় প্রভাবশালী একটি মহল এই জগন্যতম ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে ও আড়াল করতে চেয়েছিল কিন্তু স্থানীয় সাংবাদিকদের কে ঠেকাতে পারে নি। স্থানীয় সাংবাদিকগন সত্যতার চোক্ষু দিয়ে প্রথমে তুলে ধরেন স্বামীর আতœহত্যার সংবাদ পরে বেড় হয়ে আসে আসল ঘটনা তুলে ধরেন এই নির্মম ঘটনাটি জনসুম্মুখে। আর পুলিশ প্রশাসনের নিষ্টাবান কর্মকর্তা তাহিরপুর থানার ওসি শহীদুল্লাহ নিজেই কঠোর হস্তে এক দল পুলিশ সদস্য নিয়ে বুধবার মধ্য রাতে গ্রামবাসীর সহযোগীতায় আঠক করেন এই ঘটনার মুল হোতা ২জন রাজিব সরকার(২৪),অমল সরকার(৩৫) ও বৃহস্পতিবার সকালে পন্ডুব গ্রামের বিচার-শালিশ কারীদের ১৭ জনের মধ্যে ৫ জন কে ধর্মপাশা উপজেলার আবেদনগর গ্রাম থেকে কৃপা সিন্দু সরকার,কাজল সরকার,জয়ন্ত সরকার ও পাশ্ববর্তী জামালগঞ্জ উপজেলার হরিনা কান্দি গ্রামের ফখর উদ্দিন,রফিকুল ইসলাম কে। গ্রেফতার কৃতদের সুনামগঞ্জ জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে। পন্ডুব গ্রাম বাসী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়-গত সোমবার রাতে মৃত ননী গোপাল সরকারের ছেলে কমল সরকার পাশ্ববর্তী হাওরে মাছ ধরতে যায়। এ সময় তার স্ত্রী বসত ঘরে একা ঘুমিয়ে ছিল এ সুযোগে একেই গ্রামের প্রতিবেশী রুপেশ সরকারের পুত্র রাজীব সরকার(২৪) ও মৃত কটু সরকারের পুত্র অমল সরকার(৩৫) তার ঘরে ঢুকে হাত পা বেধেঁ দু-ধর্ষক পালা ক্রমে তাকে ধর্ষন করে চলে যায়। কমল বাড়ি এসে দেখেন তার স্ত্রীর হাত,পা বাধাঁ,মুখে কাপড়,শরীরের কাপড় এলোমেলো। তিনি বাধন খুলে দিলে জানায় যে রাজিব সরকার ও অমল সরকার তাকে হাত,পা বেধেঁ জোর করে ধর্ষন করেছে। এ ঘটনাটি ধর্ষনকারীদের পরিবারে গিয়ে জানালে তারা ধর্ষীতার স্বামী কমল সরকার কে উল্টো ধমকায় ও বাড়ি থেকে বেড় করে দেয়। পরে স্ত্রীর পরিবারের লোকজন কে খবর দিলে তারা এসে গ্রামের মুরোব্বিদের জানালে বুধবার বিকালে বিচার-শালিশে বসে। ধর্ষনকারীরা ধর্ষনের কথা শিকার করে সবার সম্মুখে। পরে গ্রামের বিচারকগন ধর্ষন কারীদের কে ৫হাজার টাকা জরিমানা ও জুতার মালা ও টিন গলায় পরিয়ে এলাকায় ঘুরিয়ে সমাধান করে দেন। স্ত্রীর সম্ভম হারানোর উপযুক্ত বিচার না পেয়ে ও অপমান সইতে না পেরে ধর্ষিতার স্বামী কমল সরকার স্ত্রীকে বাপের বাড়ি পাঠিয়ে দিয়ে সবার চোখ এরিয়ে সন্ধ্যায় বসত ঘরের ভিতরে গলায় ফাঁস লাগিয়ে অতœহত্যা করে। কমল সরকারের কাকা পুলিশ কে খরব দিলে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্বার করে ও ধর্ষিতাকে ডাক্তরী পরীক্ষার জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে প্রেরন করে। এই ঘটনার শালিশ কারী ৫ জনকে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার ২ ধর্ষনকারীদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। সবাইকে  জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৫দিনের রিমান্ডের আবেদন করেছেন মামলার তদর্ন্তকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদ হানিফ। পোষ্টমটেমের পর নিহত কমল সরকার কে গ্রামের শশানেআগুনে দাহ না করে মাটি কবর দেওয়া  হয়েছে গত শুক্রবার। এই ঘটনায় ধর্ষিতার বাবা বানিয়া গাঁও সুবোধ চন্দ্র দাস ১৭জন কে আসামী করে দুটি পৃথক মামলা করেছেন। মামলা নং ১১ ও আতœহত্যা প্ররোচনায় মামলা নং ১২,তারিখ ২৭আগষ্ট ২০১৫ইং। ধর্ষিতার বাবা সুবোধ চন্দ্র দাস বলেন-কমল সরকারের সাথে মেয়েডারে বিয়ে দিছিলাম প্রায় ৭মাস আগে। আমার মেয়ের জীবন যারা নষ্ট করে দিছে বাবা তাদের কঠিন শাস্তি চাই। আপনারা যেমনে পত্রিকায় লিখে সহযোগীতা করেছেন তাদের ধরতে ও আইনের কাছে সোপর্দ করতে তেমনি আরো বেশি করে লিখেন যাতে করে ওরা ছাড়া না পায়। দক্ষিন শ্রীপুর চেয়ারাম্যান বিশ্বজিত সরকার জানান-এই জগন্য ঘটনাটি ঘটার পর থেকেই এলাকায় নিরব-নিস্থবতা,থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। ঘটনাটির পরেই আমি নিজে এলাকায় গিয়ে সবার সাথে কথা বলেছি সবাইকে সহযোগীতা করার জন্য বলেছি আসামীদের ধরার জন্য। আমরা সবাই এর সবোর্চ্চ শাস্তি চাই। তাহিরপুর থানার ওসি শহীদুল্লাহ জানান-এই ঘটনার সাথে জরিত সবাইকে আঠক করা হবে কোন প্রভাবশালী কে ছাড় দেওয়া হবে। তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুল জানান-ধর্ষিতার পরিবার কে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাতœক সহযোগীতা করা হবে। ধর্ষনকারীদের সাথে জরিত তাদের আটক করে সবোর্চ্চ শাস্তির দাবী জানাই।


Spread the love