বগুড়ার শাজাহানপুরে পরাজিত ও বিজয়ী মেম্বার প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে হামলা ভাংচুর-আহত ৯

59
Spread the love

NEWS-1 copyমিষ্টার আলী মিলন,বগুড়া : বগুড়ার নির্বাচন পরবর্তি সহিংসতায় বগুড়া শাজাহানপুরের দাড়িগাছা গ্রামে পরাজিত ও বিজয়ী মেম্বার প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে মারামারি-ভাংচুর ও ককটেল বিষ্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। মারপিটে উভয় পক্ষের ৯ জন গুরুতর আহত হয়েছে। তাদেরকে বগুড়া শহিদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হলেন, শাজাহানপুরের দাড়িগাছা গ্রামের আব্দুস সামাদ মাষ্টারের ছেলে আনোয়ার হোসেন মটুক (৫৫), লুৎফর রহমানের ছেলে আইয়ুব আলী (২৫), মৃত মনসের আলীর ছেলে ফজলুল হক (৬০), ফজলুল হকের ছেলে পলাশ (৩০), জামির উদ্দিনের ছেলে এমদাদুল হক (৩৫), আলতাব আলীর ৩ ছেলে আলমগীর হোসেন (৪৫), বুলবুল (৩৬), মাহফুল (৩০), জনাব আলীর ছেলে আব্দুল মমিন (৩৮)। স্থানীয়রা জানায়, গত ৪ জুন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে উপজেলার খরনা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের সদস্য পদে বাবলু মিয়াকে পরাজিত করে বিজয়ী হন তোতা মিয়া। নির্বাচনের পর থেকেই উভয় প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। গত রোববার সন্ধায় প্রথমে উভয় পক্ষের মধ্যে মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটলেও তেমন কোন ঘটনা ঘটেনি। পরের দিন গত সোমবার তারাবিহয়ের নামাজ শেষে রাত সোয়া ৯টার দিকে বাবলু মিয়ার কর্মী-সমর্থকদের উপর রাম দা, লাঠিসোটা নিয়ে হামলা করে তোতা মিয়ার কর্মী-সমর্থকরা। এরপরপরই দাড়িগাছা বাজারে দোকানপাট ভাংচুর ও ককটেল বিষ্ফোরণ ঘটানো হয়। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।এ বিষয়ে উভয় প্রার্থীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তাদেরকে পাওয়া যায়নি। হামলায় গুরুতর আহত আইয়ুব আলী সাংবাদিকদের জানান, রাম দা ও ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হয়ে প্রানের ভয়ে দৌড়ে বাড়িতে এসেও রক্ষা পাইনি। বাড়িতে এসেও তারা মারপিট-ভাংচুর করেছে। এ প্রসঙ্গে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শাজাহানপুর থানার ওসি আলমগীর হোসেন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এখন পর্যন্ত কোন পক্ষই থানায় অভিযোগ দায়ের করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


Spread the love