বর্তমান সরকার প্রবাসীদের সকল সমস্যা সমাধানে বদ্ধ পরিকর- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

101
Spread the love

2এনায়েত হোসেন সোহেল, দ্য হেগ,নেদারল্যান্ড থেকে ফিরে : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশের  মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে দেশের সকল ক্রান্তি লগ্নে প্রবাসী বাংলাদেশীরাই গুরুত্বপুর্ন ভূমিকা পালন করেছেন।বর্তমান সরকার প্রবাসীদের সকল সমস্যা সমাধানে বদ্ধ পরিকর। নেদারল্যান্ডসে তিন দিনের সরকারি সফরের শেষ দিন বৃহস্পতিবার বিকালে নেদারল্যান্ডস এর প্রসাশনিক রাজধানী দ্য হেগের কুরহাউস হোটেলের হলরুমে নেদারল্যান্ডস আওয়ামীলীগ আয়োজিত প্রবাসী বাংলাদেশিদের দেয়া এক গণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকেই বিএনপি জামাত ও এরশাদ সরকার নানা ষড়যন্ত্র করে চলেছে মন্তব্য করে সরকারপ্রধান বলেন, এরপরও এ দেশের মানুষ যখনই সুযোগ পেয়েছে, মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছে। শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে বলেন, তার সরকারের নির্দেশনা,  এবং প্রবাসীদের অব্যাহত সমর্থন নিয়ে বাংলাদেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাবে এবং ২০২১ সালের আগেই একটি মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে। ফ্রান্স,জার্মান,ইতালী,বেলজিয়াম,স্পেন,নরওয়ে,রাশিয়াসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত  আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ ও  প্রবাসী বাংলাদেশিদের উপস্থতিতে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরো বলেন,বিএনপি, জামাতের কোন ষড়যন্ত্র বাংলাদেশকে বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী দেশের অস্তিত্ব ধ্বংস করতে চায়  তিনি বলেন, দেশের প্রতি বিএনপি ও জামায়াতের কোনো দরদ নেই। দেশ বিরোধী কোন ষড়যন্ত্র বাংলাদেশকে আটকাতে পারবেনা। ২০৪১ সালের মধ্যে একটি ‘উন্নত’ দেশে পরিণত হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, প্রবাসীরা মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে আন্তর্জাতিক জনমত গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু সপরিবারে নিহত হওয়ার পর সুইডেন ও যুক্তরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিরা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি বাংলাদেশে রাজনৈতিক পালাবদলের পর তখনকার সেনানিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারও তাকে লন্ডন থেকে দেশে ফিরতে দিতে চায়নি। তখনও প্রবাসী বাংলাদেশিরা তার সমর্থনে এগিয়ে এসেছিলেন। ‘বাংলাদেশের প্রয়োজনে নেদারল্যান্ডস সবসময় পাশে দাঁড়িয়েছে’ মন্তব্য করে তিনি বলেন,নেদারল্যান্ডস বাংলাদেশের ‘ঘনিষ্ঠ বন্ধু দেশ। এসময়  প্রবাসীদের আয়োজিত এ সংবর্ধনা সভায় নেদারল্যান্ডস আওয়ামীলীগের সভাপতি মায়িদ ফারুকের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা জামান এর পরিচালনায় এসময় আরো বক্তব্য রাখেন পানি সম্পদ প্রতীমন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম ,সর্ব ইউরোপ আওয়ামীলীগের সভাপতি শ্রী আনিল দাস,সাধারণ সম্পাদক এম এ গনি, যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের সভাপতি সুলতান শরীফ,নেদারল্যান্ডস আওয়ামীলীগের  যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুরাদ খান,হল্যান্ড আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ইমরান হোসেন,সাংগঠনিক সম্পাদক জয়নাল আবেদীন,জসীম উদ্দীন, সহ আওয়ামীলীগের নেতারা।অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরান তেলাওয়াত করেন  ইমরান হোসেন।গীতা পাঠ করেন মনিকা দাস।জাতীয় সংগীত দিয়ে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে মহান মুক্তি্যুদ্ধ থেকে শুরু করে দেশের জন্য প্রাণ বিসর্জনকারীদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।অনুষ্ঠানে মানপত্র পাঠ করেন মুরাদ খান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশের  মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে দেশের সকল ক্রান্তি লগ্নে প্রবাসী বাংলাদেশীরাই গুরুত্বপুর্ন ভূমিকা পালন করেছেন।বর্তমান সরকার প্রবাসীদের সকল সমস্যা সমাধানে বদ্ধ পরিকর। নেদারল্যান্ডসে তিন দিনের সরকারি সফরের শেষ দিন বৃহস্পতিবার বিকালে নেদারল্যান্ডস এর প্রসাশনিক রাজধানী দ্য হেগের কুরহাউস হোটেলের হলরুমে নেদারল্যান্ডস আওয়ামীলীগ আয়োজিত প্রবাসী বাংলাদেশিদের দেয়া এক গণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকেই বিএনপি জামাত ও এরশাদ সরকার নানা ষড়যন্ত্র করে চলেছে মন্তব্য করে সরকারপ্রধান বলেন, এরপরও এ দেশের মানুষ যখনই সুযোগ পেয়েছে, মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছে। শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে বলেন, তার সরকারের নির্দেশনা,  এবং প্রবাসীদের অব্যাহত সমর্থন নিয়ে বাংলাদেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাবে এবং ২০২১ সালের আগেই একটি মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে। ফ্রান্স,জার্মান,ইতালী,বেলজিয়াম,স্পেন,নরওয়ে,রাশিয়াসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত  আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ ও  প্রবাসী বাংলাদেশিদের উপস্থতিতে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরো বলেন,বিএনপি, জামাতের কোন ষড়যন্ত্র বাংলাদেশকে বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী দেশের অস্তিত্ব ধ্বংস করতে চায়  তিনি বলেন, দেশের প্রতি বিএনপি ও জামায়াতের কোনো দরদ নেই। দেশ বিরোধী কোন ষড়যন্ত্র বাংলাদেশকে আটকাতে পারবেনা। ২০৪১ সালের মধ্যে একটি ‘উন্নত’ দেশে পরিণত হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, প্রবাসীরা মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে আন্তর্জাতিক জনমত গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু সপরিবারে নিহত হওয়ার পর সুইডেন ও যুক্তরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিরা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি বাংলাদেশে রাজনৈতিক পালাবদলের পর তখনকার সেনানিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারও তাকে লন্ডন থেকে দেশে ফিরতে দিতে চায়নি। তখনও প্রবাসী বাংলাদেশিরা তার সমর্থনে এগিয়ে এসেছিলেন। ‘বাংলাদেশের প্রয়োজনে নেদারল্যান্ডস সবসময় পাশে দাঁড়িয়েছে’ মন্তব্য করে তিনি বলেন,নেদারল্যান্ডস বাংলাদেশের ‘ঘনিষ্ঠ বন্ধু দেশ। এসময়  প্রবাসীদের আয়োজিত এ সংবর্ধনা সভায় নেদারল্যান্ডস আওয়ামীলীগের সভাপতি মায়িদ ফারুকের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা জামান এর পরিচালনায় এসময় আরো বক্তব্য রাখেন পানি সম্পদ প্রতীমন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম ,সর্ব ইউরোপ আওয়ামীলীগের সভাপতি শ্রী আনিল দাস,সাধারণ সম্পাদক এম এ গনি, যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের সভাপতি সুলতান শরীফ,নেদারল্যান্ডস আওয়ামীলীগের  যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুরাদ খান,হল্যান্ড আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ইমরান হোসেন,সাংগঠনিক সম্পাদক জয়নাল আবেদীন,জসীম উদ্দীন, সহ আওয়ামীলীগের নেতারা। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরান তেলাওয়াত করেন  ইমরান হোসেন।গীতা পাঠ করেন মনিকা দাস।জাতীয় সংগীত দিয়ে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে মহান মুক্তি্যুদ্ধ থেকে শুরু করে দেশের জন্য প্রাণ বিসর্জনকারীদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।অনুষ্ঠানে মানপত্র পাঠ করেন মুরাদ খান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশের  মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে দেশের সকল ক্রান্তি লগ্নে প্রবাসী বাংলাদেশীরাই গুরুত্বপুর্ন ভূমিকা পালন করেছেন।বর্তমান সরকার প্রবাসীদের সকল সমস্যা সমাধানে বদ্ধ পরিকর। নেদারল্যান্ডসে তিন দিনের সরকারি সফরের শেষ দিন বৃহস্পতিবার বিকালে নেদারল্যান্ডস এর প্রসাশনিক রাজধানী দ্য হেগের কুরহাউস হোটেলের হলরুমে নেদারল্যান্ডস আওয়ামীলীগ আয়োজিত প্রবাসী বাংলাদেশিদের দেয়া এক গণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকেই বিএনপি জামাত ও এরশাদ সরকার নানা ষড়যন্ত্র করে চলেছে মন্তব্য করে সরকারপ্রধান বলেন, এরপরও এ দেশের মানুষ যখনই সুযোগ পেয়েছে, মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছে। শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে বলেন, তার সরকারের নির্দেশনা,  এবং প্রবাসীদের অব্যাহত সমর্থন নিয়ে বাংলাদেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাবে এবং ২০২১ সালের আগেই একটি মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে।
ফ্রান্স,জার্মান,ইতালী,বেলজিয়াম,স্পেন,নরওয়ে,রাশিয়াসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত  আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ ও  প্রবাসী বাংলাদেশিদের উপস্থতিতে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরো বলেন,বিএনপি, জামাতের কোন ষড়যন্ত্র বাংলাদেশকে বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী দেশের অস্তিত্ব ধ্বংস করতে চায়  তিনি বলেন, দেশের প্রতি বিএনপি ও জামায়াতের কোনো দরদ নেই। দেশ বিরোধী কোন ষড়যন্ত্র বাংলাদেশকে আটকাতে পারবেনা। ২০৪১ সালের মধ্যে একটি ‘উন্নত’ দেশে পরিণত হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, প্রবাসীরা মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে আন্তর্জাতিক জনমত গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু সপরিবারে নিহত হওয়ার পর সুইডেন ও যুক্তরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিরা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি বাংলাদেশে রাজনৈতিক পালাবদলের পর তখনকার সেনানিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারও তাকে লন্ডন থেকে দেশে ফিরতে দিতে চায়নি। তখনও প্রবাসী বাংলাদেশিরা তার সমর্থনে এগিয়ে এসেছিলেন। ‘বাংলাদেশের প্রয়োজনে নেদারল্যান্ডস সবসময় পাশে দাঁড়িয়েছে’ মন্তব্য করে তিনি বলেন,নেদারল্যান্ডস বাংলাদেশের ‘ঘনিষ্ঠ বন্ধু দেশ। এসময়  প্রবাসীদের আয়োজিত এ সংবর্ধনা সভায় নেদারল্যান্ডস আওয়ামীলীগের সভাপতি মায়িদ ফারুকের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা জামান এর পরিচালনায় এসময় আরো বক্তব্য রাখেন পানি সম্পদ প্রতীমন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম ,সর্ব ইউরোপ আওয়ামীলীগের সভাপতি শ্রী আনিল দাস,সাধারণ সম্পাদক এম এ গনি, যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের সভাপতি সুলতান শরীফ,নেদারল্যান্ডস আওয়ামীলীগের  যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুরাদ খান,হল্যান্ড আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ইমরান হোসেন,সাংগঠনিক সম্পাদক জয়নাল আবেদীন,জসীম উদ্দীন, সহ আওয়ামীলীগের নেতারা। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরান তেলাওয়াত করেন  ইমরান হোসেন।গীতা পাঠ করেন মনিকা দাস।জাতীয় সংগীত দিয়ে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে মহান মুক্তি্যুদ্ধ থেকে শুরু করে দেশের জন্য প্রাণ বিসর্জনকারীদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।অনুষ্ঠানে মানপত্র পাঠ করেন মুরাদ খান।


Spread the love