বহু প্রর্তীকার অবসান আজ উদ্ভোধন হচ্ছে সুনামগঞ্জের আব্দুর জহুর সেতুটি টোল মুক্ত রাখার দাবী

119
Spread the love

সুনামগঞ্জের আব্দুর জহুর সতেু =১৯.০৮.১৫ইংজাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া,সুনামগঞ্জ : সুনামগঞ্জের আব্দুর জহুর সেতুটি টোল মুক্ত রাখার দাবী জানান ৪টি উপজেলার ১৫লাক্ষাধিক জনসাধারন সহ জেলার সর্বস্থরের পেশাজীবি মানুষ। জেলার অবহেলিত,কৃষি ভিত্তিক ও দারিদ্র পীরিত উপজেলা হিসাবে পরিচিত  হাওর বেষ্টিত তাহিরপুর,জামালগঞ্জ,বিশ্বাম্ভরপুর,ধর্মপাশা,মধ্যনগর উপজেলার মানুষ। এই সেতুটি চালু না হওয়ায় সড়ক পথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল জেলার ৪টি উপজেলার ১৫ লক্ষাধিক মানুষ। সেই মানুষ গুলোর র্দীঘ ১০ বছরের প্রানের ও স্বপ্নে দাবী বাস্তবে রুপ দান করায় আনন্দে ভাসঁছে জেলা ও ৪টি উপজেলা বাসী। অবহেলিত হাওর বেষ্টিত ৪টি উপজেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক,সামাজিক ও বিভিন্ন সংঘটন সহ সর্ব স্থরের জনগনের দাবী সেতুটি যেন টোল মুক্ত থাকে ও সেতুটির মধ্যে সন্ধ্যার পর নিরাপত্তার সার্থে সোডিয়াম লাইট স্থাপন করা হয়। জানাযায়-সুনামগঞ্জের আব্দুর জহুর সেতুটি চালু হবে আজ বৃহস্পতিবার (২০.০৮.১৫ইং)। সেতুটি ভিডিও কনফারেন্স এর মাধ্যমে উদ্ভোধন করবেন মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর মধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে ও এ লক্ষ্যে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে প্রস্তুতি সভা করেছেন সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ। বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা লোকজন বলেন-ভাই র্দীঘ দিনের স্বপ্ন পূরন হচ্ছে সুনামগঞ্জের আব্দুর জহুর সেতুটি(সুরমা নদীর উপর সেতুটি)। আমরা ভাটির অঞ্চলের মানুষ আশা করব সেতুটি যেন টোল মুক্ত থাকে। সেতুটি চালু হওয়ায় যেমন আমাদের উপকার হবে তেমনি টোল মুক্ত থাকলে আমরা হাওরবাসী আর্থিক ভাবে উপকৃত হব। তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুল জানান-ভাটির বাংলার দেশ সুনামগঞ্জ জেলা। আর ৪টি তাহিরপুর,জামালগঞ্জ,র্ধমপাশা,মধ্যনগর,বিশ্বাম্ভরপুর উপজেলার মানুষ খুব অসহায়,দারিদ্র পীরিত ও কৃষি নির্ভর তাই আব্দুর জহুর সেতুটি টোল মুক্ত রাখলে সবাই উপকৃত হবে। জেলা প্রশাসক শেখ রফিকুল ইসলাম জানান-প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্স এর মাধ্যমে সেতুটি উদ্ভোধন করবেন তিনি নিময়-নীতিতে অঠল। তাই নিয়ম অনুযায়ী সব কিছুই আমরা করব। তবে সেতুটিতে আপাদত কোন টোল থাকবে না। ভবিষ্যত্বেও যে টোল না থাকে তার জন্য সর্ব মহলেই আলোচনা হচ্ছে,সবাইও চাইছে। আমরাও সে বিষয় টি গুরুত্ব্য সহকারে নিয়ে প্রস্তাব করব জেলা বাসীর স্বার্থে। উল্লেখ্য,  ২০০৫ সারে ১লা অক্টোবর সুনামগঞ্জের সুরমা নদীর উপর সেতু নির্মানে ২ কোটি ৫৯লাখ ৬০হাজার টাকা বরাদ্দ হয়। বরাদ্দের পর ২০০৬-৭ অর্থ বছরে সুনামগঞ্জ শহর সংলগ্ন মল্লিকপুর এলাকায় ১১৫ মিটার দৈঘ্য বিশিষ্ট সুরমা সেতুর কাজ শুরু করা হয়। অর্থ সংকটের অজুহাতে ৩ বছর নির্মান কাজ বন্ধ থাকে। পরবর্তীতে সুনামগঞ্জের দু-এমপি ও জেলার ৪টি (তাহিরপুর,বিশ্বাম্ভরপুর,জামালগঞ্জ,মধ্যনগড়,ধর্মপাশা )উপজেলা ও সর্ব স্তরের জনমাধারনের দাবীর মুখে আবারো এডিপিতে সুরমা সেতু প্রকল্পটি অর্šÍভুক্ত করা হয়। এর ব্যয় ধরা হয় ৬৪কোটি ৫৪ লাখ টাকা। বরাদ্দের পর একাধিক ঠিকাদারী প্রতিষ্টান ৬বছরে সেতুর পাইলিং ও দু পাশের সংযোগ মাটির কাজ শেষ করে। বাকি থাকে সেতুর মাঝের সংযোগ। এই সংযোগ দিতে চলে নানা টালবাহানা। বহু প্রতীক্ষার পর আজ উন্মুক্ত হচ্ছে র্দীঘ দিনের স্বপ্নে সুরমা নদীর উপর সেতু উপর নিমিত আব্দুর জহুর সেতুটি।


Spread the love