বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের প্রতি খোলা চিঠি

109
Spread the love

লিখন নির্বাচন কমিশনের প্রতিকারিমুল হাসান লিখন : গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় নির্বাচন কমিশনের সমিপে আমার উন্মোক্ত বানী, রাষ্ট্র বা সংবিধান লঙ্ঘন কোন বানী নয়। নির্বাচন হলো সাধারন মানুষের ভোটাধিকারের একটি উল্লেখযোগ্য মাধ্যম। এ ভোটের মাধ্যমেই দেশের জনগন নির্বাচিত করে জনপ্রতিনিধি। এই জনপ্রতিনিধি নির্বাচনে অনেক শিক্ষিত মানুষ পরিবেশ পরিস্থিতির উপর ভিত্তি করে বাধ্য হয়ে অজ্ঞ, অশিক্ষিত প্রার্থীদের প্রতিকে ভোটাধিকার প্রয়োগ করছে।
এটা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ। এখানে ইউনিয়ন পর্যায়ে চেয়ারম্যান, মেম্বার প্রার্থী হবার অধিকার সবারই আছে। তার মধ্যেও দেখা যায়, যারা কোন দিন লেখা পড়ার কাছেও যায়নি তারা প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন গ্রহন করছে। শুধু তাই নয়, তারা নির্বাচন করে জয়লাভও করছে। ফলে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে পড়তে হচ্ছে হাজারও শিক্ষিত মানুষের। যেমনটি আমার একটি ফরমে স্থানীয় মেম্বারের স্বাক্ষর লাগবে। অথচ ঐ মেম্বার স্বাক্ষরটাও দিতে জানেনা। একজন মেম্বার স্থানীয় এলাকায় শিক্ষার মান বাড়াতে কাজ করবে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তূ একজন অশিক্ষিত নির্বাচিত মেম্বার কিভাবে শিক্ষার মান বাড়াবে? এখন ধরুন, একজন শিক্ষিত মানুষকে, একটি স্বাক্ষরের জন্য অশিক্ষিত মেম্বারের দারে দারে ঘুরতে হচ্ছে। আমার এই উক্তি বা বানীগুলি উপমা হিসেবে পেশ করলেও এসব কোন বানানো কাহিনী নয়। বাংলাদেশের প্রত্যান্ত অঞ্চলের ইউনিয়ন পর্যায়ে এখনও পাওয়া যাবে অনেক অশিক্ষিত স্থানীয় মেম্বার।
মানুষের মৌলিক অধিকারের মধ্যে মিক্ষা একটি গুরুত্বর্পুন মৌলিক অধিকার। এই শিক্ষাটাই যদি স্থানীয় ইউনিয়ন মেম্বারদের মধ্যে না থাকে তাহলে কিভাবে আমি শিক্ষিত হয়ে অশিক্ষিত প্রার্থীকে ভোট দিব? অপর দিকে অশিক্ষিত নির্বাচিত প্রার্থীদের কারনে শিক্ষার মান পদদলিত হচ্ছে বার বার। এভাবে শিক্ষার মান পদদলিত হবার হাত থেকে রক্ষার জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের প্রতি আমার জোড় দাবি জানাচ্ছি। এ দাবি আমার একার নয়, এ দাবি এই দেশের হাজাও শিক্ষিত মানুষের দাবি। এ দাবি অপাত্রে ঘি ডালা থেকে রক্ষার দাবি, এ দাবি বিবেকের দাবি। তাই মাননীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবিঃ
১। আপনারা প্রার্থী নির্বাচন র্পুবক ইউনিয়ন পর্যায়ে চেয়ারম্যান পদ প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা এইচ,এস,সি ও মেম্বার পদ প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা এস,এস,সি পাশ বা সমমান বাধ্যতামুলক করুন।
২। প্রার্থীতার কোটা হিসেবে প্রার্থীর বয়োস নিদ্দিষ্ট করুন।
৩। একজন নির্বাচিত প্রার্থী পর পর ২ বার নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না।


Spread the love