বাউল সাধক দৃর্ব্বিন শাহ’র সুযোগ্য শিষ্য গানের ভান্ডার গীতিকার খোয়াজ মিয়া পথ চলা

272
Spread the love

oiiiআমির হোসেন সাগর : দুটি পাতা একটি কুড়ি হযরত শাহজালালের পূর্ণভূমি সিলেটের পবিত্র মাঠিতে জন্ম হয়েছে অনেক গুনি সঙ্গীত গীতিকারদের তাদের সৃষ্টি করা গান গুলো আজ সঙ্গীতের দুনিয়াতে বিশ্বের বুকে সিলেটের মাথা অনেক উচু করে দাড়িয়ে আছে, তাদেরি উত্তরসূরী সহকর্মী হিসাবে বর্তমান সিলেট জেলায় প্রবিণ গীতিকার হিসাবে আমরা সবাই তাকে চিনি,যার প্রায় সাতশতাদিক গানের বিশাল ভান্ডারে জন্মদাতা, নেই কোন ক্লান্তি আছে মুখে হাসি, দেশে ও দেশের মাঠিকে ভালোবেসে নিজেকে আজীবন বাচিঁয়ে রাখতে এই ভব জগতে ৫০ বৎসর যাবত জন্ম দিচ্ছেন সন্তান নামক শতশত গান ৭৩ বছর বয়সে ও থেমে নেই  তার সুর ছন্দ লিখা এখনও যার বেলায়  ঢোলে হারমোনিতে বেজে  ওঠে, সারি গামা পাদানিসা,এই লেখকের  গান গেয়েছেন শিল্পী শাহানাজ বেলী ডলি শান্তনী কালা মিয়া সিরাজ উদ্দিন ও শাজ্জাদ নূর সহ দেশের অনেক গুনি শিল্পীরা এই গীতিকারে অনেক গুলি খ্যাতি অর্জন কারি  গান গেয়েছেন , সেই গান গুলো  মানুষের হৃদয়ে টায় করে মনিকোটায় ভালোবাসায় জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন সিলেট সহ দেশের মানুষের বুকে, তার লেখার কিছু,খ্যাতি অর্জন কারী জনপ্রিয় গান ১.আমার বাড়ি আয়রে বন্ধু ,২.লাগাইয়া পিরিতের ঢুলি, ৩.আমার ভয় লাগিল মনে ,৪.আমার বন্ধু মহা জাদু জানে ,৫.কী চেইল মারিল গো বন্ধে ,৬.যাইনা যাইনা কন্যাল ,৭.শ্যামলা রুপের প্রিয়া,৮.দূর দেশে যাইনা বন্ধুরে ,৯.মা এ তুই কোন মায়া জড়ালে আমায়সহ এর রকম অনেক গান খ্যাতি অর্জন করেছে ।সঙ্গীত প্রিয় মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেছেন সিলেটের এই প্রবিণ গীতিকার বাউল শাহ মো:খোয়াজ মিয়া ।সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার দৌলতপুর গ্রামের মরহুম মৌলবী আজিজুর রহমান ও মরহুমা আস্তারা বীবি উদরে জন্ম গ্রহন করেন ১২ই মার্চ ১৯৪২ ইংজীতে। ১৯৬০ ইং ১৮ বয়সে :খোয়াজ মিয়া একতারা হাতে নিয়ে নিজে নিজে গান শুরু করেন ১৯৬৩ ইং সালে একুশ বৎসর বয়সে সঙ্গীত গুরু করেন প্রখাত বাউল সাধক দূর্ব্বিন শাহ ”র কাছে শিষ্যত্ব গ্রহন করেন, ছাতকে দূর্ব্বিন টিলায় এক কাঠালে ৩ বৎসর শিষ্যত গ্রহন করেন তিনি।তার পর থেকে বাউল দের সাথে বিভিন্ন মঞ্চে মাইল জোড়া ও বাউলা গানে প্রতিদ্বন্দিতা শুরু করেন খায়াজ মিয়া। তার কিছু দিন পর ১৯৬৮ সালে গান লেখা শুরু করেন ,এরি মধ্যে খায়াজ মিয়া লেখা ৪টি গান বইও বাজার জাত হয়েছে  প্রতম বই  ১৯৬৯ ইংজীতে ১.প্রেম স্বর্গীয় (১ম) , ১৯৭১ ইংজীতে ২. .প্রেম স্বর্গীয় (২য়) ১৯৯০ ইংতে ৩.গীতি-বিচিত্রা,২০১৪ সালে বের হয় চতুর্থ নম্বার গানের বইয় ,প্রতিটি বইয়ে   খোয়াজ মিয়া লেখা গান রইয়েছে প্রায় ১৪০টি করে । খোয়াজ মিয়া ২০০৯ সালে বাউল সম্রাট শাহ আব্দুর করিমের বর্ণাঢ্য জীবন নিয়ে আলোচনা ও জলসা অনুষ্টান বৈশাখী মেলা ট্রাস্ট ইউকের আমন্ত্রনে লন্ডনে সফরে যান, সেই সফরে জালালিয়া কালসার এসেসুয়েসনের শহীদ বাউল গ্র“পের পক্ষ থেকে একটি সম্মাননা লাভ করেন তাছাড়া পাশবর্তী ভারতে সঙ্গীত প্রিয় বক্তদের  আমন্ত্রনে তিনবার ভারত সফর করেন । দুঃখজনক হলোও সত্য বাউল শাহ মো:খোয়াজ মিয়ার গান দেশের বিখ্যাত সুরকার মান্নান মোহাম্মদের সুরে  দেশের সহ বিদেশের আনাছেকানাছে শিল্পীরা টিভি সিডি বের্তার সহ গান  প্রচার করছে  । এমন কী লকাল শল্পীরা সিলেটের রেডিও বের্তারে প্রতিদিন খোয়াজ মিয়ার লেখা ৮/১০ টি গান গায়ছেন, কিন্তু ২০০৬ সালের সিলেট বের্তারে গীতিকার লীস্টেট হওয়ার জন্য আইন আনুয়ায ২৫ টি গান জমা করেন, কিন্তু রেডিওতে অডিশনের সুযো দেয়া বা লীস্টেট করা হয়নি ,, বাউল শাহ মো:খোয়াজ মিয়া সাথে সাক্ষাতে বলেন— আমি প্রথমে মহান আল¬াতালাকে শুকরিয়া জাপন করি জিনি আমাকে দুনিয়াতে   পাঠিয়েছেন  এবং দুনিয়া থেকে পরকালে যাবার পর আমাকে বাচিয়া রাখার জন্য কাজ কররার তফিক ধিয়েছেন, আমার সৃষ্টি করার গান যদি ভালো করে দুনিয়ার মানুষের কাছে তুলে দিতে পারি তাহলে আমার লেখা গান সন্তান হয়ে এই পৃথিবীতে চিরকাল আমাকে  বাচিয়ে রাখবে, তাই সবাইকে বলছি জীবনের শেষ মুহৃতে এসে গেছি কোনদিন যানি চলে যেতে হবে আপন ঘরে ,আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন বাকি যে কয়দিন বেচে আছি আপনাদের জন্য ভালো কিছু দিয়ে যেতে পারি । র্দীঘ ৭৩ বৎসর পথ চলা জনপ্রিয় গীতিকার বাউল শাহ মো:খোয়াজ মিয়া সাথে গতকাল সাক্ষত করতে তার বাড়িতে যান সিলেটের তরুন সাংবাদিক আমির হোসেন সাগর


Spread the love