বাঘায় একই ব্যাক্তি এক কলেজের প্রভাষক আরেক কলেজের অধ্যক্ষ

73
Spread the love

রাজশাহী থেকে নাজিম হাসান : রাজশাহীর বাঘায় দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছেন মাইনুল ইসলাম নামের এক শিক্ষক। তিনি হচ্ছেন এক কলেজের প্রভাষক আরেক কলেজের অধ্যক্ষ। তার বিরুদ্ধে রয়েছে, শিক্ষক কর্মচারী নিয়োগ দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ। জানা যায়, ২০০১ সালে উপজেলার মনিগ্রাম ইউনিয়নের তুলশিপুর গ্রামে মনিগ্রাম টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হয়। যার অধ্যক্ষ হচ্ছেন মাইনুল ইসলাম নিজেই। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এ কলেজের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি উপজেলা সদরে শাহদৌলা ডিগ্রী কলেজের মনোজ্ঞিানের প্রদর্শক হিসাবে দাযিত্ব পালন করছেন তিনি। এই কলেজে প্রভাষক পদে দায়িত্ব পালন করাকালিন সময়ে মনিগ্রাম টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজে অধ্যক্ষ হিসাবে দায়িত্ব গ্রহন করেন মাইনুল। শুরু হয় তার দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকরির জীবন। একই সাথে দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে নিচ্ছেন আর্থিক সুবিধা। কলেজের প্রধান হিসাবে শিক্ষক-কর্মচারি নিয়োগ দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। কলেজ শাখার বাদশা আলম, ল্যাব এ্যাসিসটেন্ট বাবুল হোসেন দিয়েছেন ১লক্ষ ৮০ হাজার টাকা করে এবং ল্যাব এ্যাসিসটেন্ট মেরিনা খাতুন দিয়েছেন ১লক্ষ ৬০ হাজার টাকা। শুধু এরাই নয়, এদের মতো অনেকই রয়েছেন, যাদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে। এসব ভূক্তভুগিরা জানান, ২০০৪ সালে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষাবোর্ড কর্তৃক স্বীকৃতি লাভ করে মনিগ্রাম টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ। পরে স্কুল শাখাটি এমপিও ভুক্তি হলেও কলেজ শাখাটি অদ্যবধি এমপিও ভুক্তি হয়নি। প্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষক কর্মচারীরা জানান, বেতনভূক্ত কলেজের চাকরি ঠেকাতে গিয়ে অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালনেও অনিয়ম করেন তিনি। নিয়মিত কলেজে না আসার ফলে ঠিকমত ক্লাশও হয়না। মাইনুল ইসলাম জানান, দুই কলেজে দায়িত্ব পালন করলেও বেতন উত্তোলন করেন এক কলেজ থেকে। বিধান মোতাবেক দুই কলেজে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কাজী আব্দুল মোকিম বলেন,শিক্ষা প্রতিষ্টান গড়ার সার্থে প্রথমত একাধিক দায়িত্ব পালন করতে পারেন। তবে দীর্ঘস্থায়ী ভাবে দুই প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পালন করতে পারবেনা। মনিগ্রাম টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের সভাপতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার হামিদুল ইসলাম বলেন,শাহদৌলা ডিগ্রী কলেজের মনোবিজ্ঞানের প্রদর্শক পদ থেকে রিজাইনপত্র আমার কাছে জমা দিয়েছেন মাইনুল। তবে শাহদৌলা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ নবাব আলী জানান,চাকরি থেকে অব্যাহতির আবেদন এখনো মঞ্জুর করা হয়নি।


Spread the love