বান্দরবানে পাহাড় ধস, সবাইকে নিরাপদে যাওয়ার নির্দেশ

144
Spread the love

1394640718bandorban__mapবান্দরবন প্রতিনিধি : বান্দরবানে টানা তিনদিনের অবিরাম বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সাঙ্গু নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে আবারও বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) থেকে প্রবল বর্ষণে সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকাল থেকে নদী পাড়ের বাসিন্দারা নিরাপদ স্থানে সরে যেতে শুরু করেছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে শহরের কয়েকটি এলাকার মানুষ। বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে দুই/একদিনের মধ্যে আবারও চতুর্থ দফা বন্যার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এতে চরম ভোগান্তি আর হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়েছে বান্দরবানবাসী। বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত ভারি বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় পাহাড়ের পাদদেশে ও ঢালে বসবাসরত লোকজনকে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হচ্ছে। এদিকে, বান্দরবান শহরের আর্মি পাড়া, ওয়াপদা ব্রিজ, শেরে বাংলানগরসহ আশপাশের এলাকায় বেশ কিছু রাস্তাঘাটসহ নিম্নাঞ্চলে পানি বাড়তে শুরু করেছে। কিছু কিছু এলাকায় নালা ও ছড়া অবৈধভাবে দখল হয়ে যাওয়ায় পানি সরে যেতে পারছে না বলে অভিযোগ করেছে মেম্বার পাড়া ও ওয়াপদা ব্রিজ এলাকার বাসিন্দারা। এছাড়া কয়েকটি স্থানে পাহাড় ধসে পড়ায় বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বান্দরবান-রোয়াংছড়ি ও রুমা-থানচি সড়কে যাতায়াত ব্যাহত হচ্ছে। রুমা-থানচি সড়কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশের মাটি ভেঙে যাওয়া ও বৃষ্টিতে কর্দমাক্ত হয়ে যাওয়ায় গাড়ি চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে লোকজন হেঁটে সড়কের ওই অংশটি পার হয়ে জিপে করে যাতায়াত করছে। বান্দরবান পৌরসভার মেয়র মোহাম্মদ জাবেদ রেজা জানান, শহরে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়া ও পাহাড় ধসের আশঙ্কায় লোকজনকে বিভিন্ন বিদ্যালয়সহ আশপাশের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে মাইকিং করা হচ্ছে। পরে পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে সে অনুযায়ী প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার শহরের নিউ গুলশান ও বনরূপা এলাকায় পাহাড় ধসে এক সাজিদুল হক চৌধুরী (২) নামে একটি শিশু নিহত হয়েছে। এতে আহত হয়েছে চারজন। এসময় বনরূপা পাড়ার ছয়টি বসতবাড়ি বিধ্বস্ত হয়।


Spread the love