বিয়ানীবাজারের মেধাবী ছাত্র কামরুল হত্যা মামলায় একজনের ফাঁসি, ২ জনের যাবজ্জীবন

72
Spread the love

Law_373272961এ টি এম তুরাব, বিয়ানীবাজার (সিলেট) : সিলেটের বিয়ানীবাজারে চাঞ্চল্যকর বিশ্ব বিদ্যালয়ের মেধাবী কামরুল হাসান হত্যা মামলায় এক জনের ফাঁসি ও দুই জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বুধবার দুপুরে সিলেট জেলা ও দায়রা জজ মনির আহমেদ পাটোয়ারী এ রায় প্রদান করেন। ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত মঈজ উদ্দিন বিয়ানীবাজার উপজেলার কসবা গ্রামের মনজ্জির আলীর ছেলে। মামলায় যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন জালাল উদ্দিন ও সাহেল। এই দন্ডের পাশাপাশি রায়ে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো এক বছর করে সশ্রম দণ্ডাদেশ প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ইসলাম উদ্দিনকে খালাস প্রদান করেছেন আদালতের বিচারক। আসামীরা সবাই পলাতক রয়েছে।
আদালত সূত্র জানায়, ২০১১ সালের ২১ আগস্ট দুপুর ২টার দিকে নিজ বাড়িতে চুলা স্থাপনকে কেন্দ্র করে মঈজ উদ্দিনের সঙ্গে বিশ্ব বিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র কামরুলের কথা কাটাকাটি হয়। এর জের ধরে দুঃসম্পর্কের চাচা মঈজ উদ্দিন ও তার সহোদররা কামরুলকে কুপিয়ে খুন করে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা আবুল কালাম বাদী হয়ে বিয়ানীবাজার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বিয়ানীবাজার থানার সাবেক উপ-পরিদর্শক (এসআই) নজমুল হুদা ২০১১ সালের ২৭ ডিসেম্বর আদালতে মামলার চার্জশিট দাখিল করেন। এরপর মামলাটি বিচারের জন্য আদালতে পাঠানো হলে ২০১৩ সালের ২৭ ফেব্র“য়ারি মামলার চার্জ গঠন করা হয়। পরে ২৬ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বুধবার মামলার রায় ঘোষণা করা হয়।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ। তাকে সহায়তা করেন অতিরিক্ত পিপি শামসুল ইসলাম ও অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন।
রায়ের পর প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে নিহত কামরুলের বাবা আবুল কালাম বলেন, আদালতের রায়ে আমি সন্তুষ্ট। তবে আসামিরা দেশের বাইরে (যুক্তরাষ্ট্রে) পলাতক রয়েছেন। তাদের দেশে এনে রায় কার্যকর করা হলে আরো খুশি হবো।


Spread the love