মণিরামপুরের কুশখালিতে সালিশী বৈঠকে চরমপন্থি হামলা,গুলি নিক্ষেপ : এলাকাজুড়ে আতংক

80
Spread the love

মোঃ আসাদুজ্জামান, মণিরামপুর (যশোর) : নারীঘটিত ও অর্থ লেনদেনকে কেন্দ্র করে মণিরামপুরের দূর্বাডাঙ্গা ইউনিয়নের কুশখালী কালিমন্দিরের সামনে সালিশ চলাকালীন সময়ে চরমপন্থিরা সশস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এসময় তারা সালিশে উপস্থিত শ্যামল নামের একজনকে লক্ষ করে গুলি নিক্ষেপ করে। তবে এতে কারো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।  যদিও পুলিশ গুলি নিক্ষেপের বিষয়ে কিছুই জানেন না। এঘটনায় এলাকায় আতংক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, নারীঘটিত ও আর্থিক লেনদেনকে কেন্দ্র করে গত বুধবার কুশখালী কালিমন্দিরে কার্ত্তিক পূজা চলাকালিন সময়ে স্থানীয় মৃনাল হালদার ও তার ছেলে বিদ্যুতের সাথে ওই এলাকার যুবক সঞ্জিত মল্লিক এবং পাশের হরিনা গ্রামের যুবক ইন্দ্রজিৎ বিশ্বাসের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এঘটনায় শুক্রবার রাত ১১ টার দিকে আশপাশের প্রায় ৫/৬ গ্রামের গণ্যমাণ্য ব্যাক্তিবর্গরা সালিশে বসেন। সালিশে বিদ্যুত ও তার বাবা মৃনাল দায়ী হয়ে যাচ্ছিল। এসময় তারা অভয়নগর উপজেলার দাবুখালী গ্রামে চরমপন্থিদের ফোন দেয়। সালিশের শেষের দিকে ১৫/২০ টি মটর সাইকেলে করে প্রায় ৪০/৪৫ জন সশস্ত্র লোক উপস্থিত হয়ে সালিশ থামাতে বলে এবং হরিনা গ্রামের শ্যামলকে লক্ষ করে গুলি ছোড়ে;যদিও গুলিটি লক্ষভ্রষ্ট হয়।  খবর পেয়ে রাতেই নেহালপুর ফাঁড়ি পুলিশের এসআই রাকিব ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। হরিনা গ্রামের শ্যামল সরকার জানায়,চরমপন্থিরা তাকে লক্ষ করে গুলি নিক্ষেপ করেছে কিন্তু তা তার গায়ে লাগেনি। কেন মামলা করেননি জানতে চাইলে শ্যামল জানান, চরমপন্থিদের ভয়ে আমরা মামলা করতে সাহস পাচ্ছিনা। সালিশের সভাপতি আদিত্য মাষ্টার জানান,সালিশ প্রায় শেষের দিকে হঠাৎ একসাথে এতগুলো মোটরসাইকেল আসতে দেখে সবাই দিকবিদিক ছোটাছুটি করে। এসময় তারা এসে আমাকে সালিশ বন্ধ করতে বললে সালিশ বন্ধ হয়ে যায়। তিনি আরো বলেন,সবাইতো যার যার জান নিয়ে পালাচ্ছিল এর মাঝে গুলি নিক্ষেপ হয়েছে কিনা তা আমি বলতে পারব না। নেহালপুর ফাঁড়ির এসআই রাকিব জানান, ঘটনার পরপরই আমি সেখানে গিয়েছি। তবে গুলি নিক্ষেপের কথা কেউ আমায় জানায়নি।


Spread the love