মণিরামপুরে গণ সংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা, প্রার্থী নিয়ে উভয় জোটে কোন্দল

57
Spread the love

Untitled-1 copyতাজাম্মূল হুসাইন, মণিরামপুর (যশোর) : ইউনিয়ন নির্বাচনের হাওয়া বইতে শুরু করেছে গ্রাম থেকে গ্রামান্তরের পাড়া মহল্লার। মণিরামপুর উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের ব্যানার, ফেসটুন, পোষ্টার সাটানো হয়েছে। নজর কাড়া এসব ব্যানার, ফেসটুন নিয়ে সাধারণ জনগণের মধ্যে বেশ আলোচনা বইতে শুরু করেছে। তবে এ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী হতে স্ব স্ব দলের সম্ভাব্য প্রার্থী বিকেল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত উপজেলার শীর্ষ নেতাদের পিছু হাটছেন। তবে নির্বাচনে প্রার্থিতা নিয়ে এক্ষুনে বির্তকের ঝড় বয়ে চলছে মণিরামপুর সদর ইউনিয়নে। পৌর সভা সংলগ্ন মণিরামপুর সদর এ ইউনিয়নে বিএনপি ও আওয়ামীলীগের ২ কথিত প্রভাবশালী নেতার জন্ম। যে কারণে এ ২ দলের দলীয় প্রার্থী হওয়াটায় বড় দেখছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। আওয়ামীলীগের একাধিক সুত্র দাবী করেছে এই ইউনিয়ন নির্বাচনে আওয়ামীলীগ গ্রহণযোগ্য প্রার্থী দিতে ব্যর্থ হওয়ার কারণে বারংবার হাত ছাড়া হয় ইউনিয়নটি। বর্তমানেও এ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান রয়েছে বিএনপি নেতা এ্যাডঃ শহীদ মোঃ ইকবাল হোসেনের ভাই যুবদল নেতা নিস্তার ফারুক। গত নির্বাচনে আওয়ামীলীগের শহিদুল ইসলাম শাহিন, বিএনপি দলীয় প্রার্থীর সাথে প্রতিদ্বন্দিতা করে পরাজিত হন শাহিন। এবারও তিনি প্রার্থী হতে যাচ্ছেন বলে শোনা যাচ্ছে। তিনিও ইউনিয়নে গ্রামগুলো চষে বেড়াচ্ছেন। একই দলের প্রার্থী হতে শিক্ষক ও সাংবাদিক নূরুল হক ছাত্রলীগের সাবেক নেতা মনিরুজ্জামান মিল্টন ও  ব্যবসায়ী ইয়াকুব আলী মাঠে নেমেছেন। এদিকে যুবদল নেতা নিস্তার ফারুক বর্তমান বিস্ফোরকসহ একাধিক মামলায় অভিযুক্ত হওয়ার কারণে প্রচার প্রচারণায় গণসংযোগে মাঠে কম দেখা যাচ্ছে। তবে বিএনপি’র অভ্যন্তরিন কোন্দল থাকার কারণে জামায়াত ও বিএনপি’র একটি অংশ আশরাফুল ইসলাম লিটনকে জামায়াত দলীয় সম্ভাব্য প্রার্থী করে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন বলে জানা যাচ্ছে। বিএনপি ও জামায়াতের এই কোন্দলটাকে পুঁজি করে বিজয় নিশ্চিত করতে চাচ্ছেন স্থানীয় আওয়ামীলীগ। সেক্ষেত্রে বিজয়ের আশা নিশ্চিত করতে সবার গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকে প্রার্থী হিসেবে দেখতে চাচ্ছেন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ ভোটাররা। এদিকে ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামের পাড়া মহল্লায় চায়ের দোকানে চুলচেরা বিশ্লেষণ করে চলছেন উল্লেখ্য সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে।


Spread the love