মহাসড়কে তিন চাকার সি এন জি চলাচল বন্ধে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ ঋণের টাকা পরিশোধ করতে হিমশিম খাচ্ছে চালকগণ

148
Spread the love

rrataএস আই সুমন মহাস্থান (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশে সকল মহাসড়কের ন্যায় বগুড়া- রংপুর মহাসড়কে তিন চাকার সি এন জি চলাচল বন্ধ, সিএনজি চালকদের বিভিন্ন  এনজিও এবং ব্যাংক থেকে নেওয়া ঋণের টাকা পরিশোধ করতে হিমশিম খাচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে দেশে অপরাধ প্রবণতা বেড়ে যাবে এবং ইতি মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে  যাত্রীদের চলাচলের চরম দুর্ভোগ।
ভুক্তভুগীরা জানান, সিএনজি না থাকায় যাত্রীদের কাছে থেকে বাস ও অন্যান্য যানবাহনে লাগামহীন ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। গত ১ লা আগষ্ট থেকে মহাসড়কে বন্ধ হয়েছে,তিন চাকার সিএনজি, অটোরিক্সা ও ভটভটি( লছিমন) চলাচল। এতে করে সুবিধা মহাসড়কে চলাচলে, কমতে পারে সড়ক দুর্ঘটনা। কিন্তু দুর্ভোগে পড়ছে সাধারন যাত্রীগণ। দীর্ঘক্ষন ধরে দাড়িয়ে থাকতে হয় রাস্তায় গাড়ির জন্য। সময় মত পৌছা যাচ্ছেনা গন্তব্যস্থানে। বৃহস্পতিবার বিকালে ষাটোর্ধ্য বয়সের একজন যাত্রী ও এক জন কলেজ ছাত্রী জানালেন, মাটিডালি বিমান মোড়ে প্রায় এক ঘন্টা যাবৎ দাঁড়িয়ে থেকেছি গোকুল আসার জন্য, কোন গাড়িই নিতে রাজি হয়নি আমাকে, অবশেষে একটি বাসে এলাম অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে। একে তো দীর্ঘসময় অপেক্ষা,তারপর গাড়ি পাওয়া গেলেও লাগামহীন ভাড়া আদায়। সব মিলিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে যাত্রীগণকে। প্রায়ই দেখা যাচ্ছে বাস ও টাউন সার্ভিস কন্ট্রাকটারদের সাথে যাত্রীদের কথার কাটাকাটি। গত বুধবার কয়েকজন যাত্রী মহাস্থানে উঠলেন টাউন সার্ভিসে বাঘোপাড়ার উদ্দেশ্যে, কন্ট্রাকটার সাফ জানিয়ে দিলেন ১০ টাকা করে ভাড়া দিতে হবে। অথচ মহাস্থান থেকে বাঘোপাড়ার দুরুত্ব মাত্র ৩ কিলোমিটার। সচেতন মহল মনে করেন তিন চাকার সি এন জি ও অটোরিক্সা বন্ধে যেমন প্রশাসনের ভূমিকা দেখা যায়,গাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রনেও তেমনি ভূমিকা রাখা দরকার। তাহলে যাত্রীগন উপকৃত হবে ও প্রশাসনের প্রতি আস্থা বাড়বে।দুর্ভোগের শেষ কোথায়, কবে পরিশোধ হবে ঋণের টাকা! সেই অপেক্ষায় দিন গুণছে তিন চাকায় ভাড়া চালিত গাড়ীর চালকেরা।


Spread the love