‘মানবিক চেয়ারম্যান মোকলেছ’ আবারও নৌকার মাঝি হতে চান

131
Spread the love

আনোয়ার হোসেন বুলু, হিলি : আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে ঘিরে দিনাজপুরেরর হাকিমপুর উপজেলার তিনটি ইউনিয়নের জোরেশোরে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। ভোটারদের জানান দিতে গুরুত্বপুর্ন মোড়, হাটবাজার, দোকানপাটের দেয়ালে শোভা পাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী, স্থানীয় সংসদ সদস্য ছবি সম্বলিত মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রার্থীদের পোষ্টার। দোকানপাট, মোড়ে মোড়ে চায়ের দোকানগুলোতে এখন মুল আলোচনার বিষয়বস্তু কোন ইউনিয়নের কে পাচ্ছেন নৌকার মনোনয়ন। ১ নং খট্রামাধবপাড়া ইউনিয়নে আবারও নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের কার্যকরী কমিটির সদস্য মোকলেছার রহমান।

ভোটার এনামুল হক চৌধুরী দুলাল বলেন, ১৯৯৫ সালে বন্যায় কাটলা মাধবপাড়া নদীর বাঁধটি ভেঙ্গে যাওয়ায় লোকজনের চলাচল অসুবিধা হওয়ায় স্কুল কলেজের ছাত্র/ছাত্রীর প্রতিষ্ঠানে যাতায়াতে অসুবিধা হয়। মানবিক কারণে তিনি নিজ ব্যবস্থাপনায় বাঁধটি তৈরী করে দেন। এতে এলাকাবাসী মোকলেছার রহমানকে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনী প্রার্থী হতে উদ্বুদ্ধ করেন। এলাকাবাসীর অনুরোধে ৯৭ সালের নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে তিনি বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন। নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথমে ইউনিয়নের বিভিন্ন রাস্তায় বৃক্ষরোপন শুরু করেন।

চেয়ারম্যান মোকলেছার রহমান জানান, ১৯৯৭ সালে বর্তমান এমপি জনাব শিবলী সাদিক এর বাবা মরহুম মোস্তাফিজুর রহমান দিনাজপুর-৬ আসনের আওয়ামীলীগের এমপি ছিলেন। তখন থেকেই আমি আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত হই। প্রথম ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর তৎকালীন সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ফিজুর সহযোগিতায় ডাংগাপাড়া হতে কাটলা পর্যন্ত রাস্তা পাকা করা হয়। নিজের তহবিলে ইউনিয়ন পরিষদের ৫৬ শতক জায়গা ক্রয় করি। ১০% টাকা জমা দিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ ভবনটি তৈরী করা হয়। ২০১৬ সালে ইউনিয়ন নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন আওয়ামীলীগ প্রধান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে দলীয় প্রতীক নৌকা দিলে নির্বাচনে জয়ী হই। দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে ইউনিয়নে ৫টি রাস্তা পাকার কাজ সম্পূন্ন হয়েছে। বিভিন্ন রাস্তায় কালর্ভাট ,গাইড ওয়াল, করোনাকালীন সময়ে ইউনিয়নে ৩ টি বুথ স্থাপন করে এলাকাবাসীকে সচেতন করি। করোনাকালীন সময়ে যে অনুদান বাড়ি বাড়ি পৌছে দেই। নিজ তহবিল হতে ১০/১২ হাজার সার্জিক্যাল মাস্ক বিতরন করি। জমি আছে ঘর নাই প্রকল্পের ২৫-৩০ টি ঘর অসহায়দের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। ৪ থানার মধ্যে গ্রাম আদালতের শ্রেষ্ঠ বিচারক হিসেবে আমাকে ২০১৭ সালে ভাষা সৈনিক আব্দুল মতিন স্মৃতিপদক সম্মাননা প্রদান করেন। ২০১৭ সালে রাজস্ব বোর্ডে চেয়ারম্যান আমার ইউপি পরিদর্শন করে মুগ্ধ হোন। বর্তমান সরকার কর্তৃক আশ্রয়ন প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। আগামী ইউপি নির্বাচনে আমাকে নৌকা প্রতীক দেওয়া হলে আমি বিপুল ভোটে জয়লাভ করবো বলে আশা রাখি।


Spread the love