মানুষের গলাকাটার অন্যতম স্থান দিনাজপুর স্বাস্থ্যসেবা ক্লিনিক ও কমফোট ডায়াগনিষ্টিক সেন্টার

103
Spread the love

dinajpur-nouon-pic-24-10-2015..নয়ন,দিনাজপুর : দিনাজপুর জেলার কতিপয় ক্লিনিকে চিকিৎসার সেবার মান ও পরিবেশ নিয়ে নানা প্রশ্নের শ্রেষ্ঠ স্থান দিনাজপুর স্বাস্থ্যসেবা ক্লিনিক ও কমফোট ডায়াগনিষ্টিক সেন্টার। দিনাজপুর স্বাস্থ্যসেবা ক্লিনিক ও কমফোট ডায়াগনিষ্টিক সেন্টারে চিকিৎসার নামে প্রতারণার বাণিজ্য বর্তমানে শ্রেষ্ঠসনদে রপান্তিরিত হয়েছে পাশাপাশি দালালদের বাণিজ্য বেশ জমজমাট হয়ে উঠেছে এককথায় চিকিৎসাসেবা নিতে আসা সাধারন মানুষের গলাকাটার অন্যতম স্থান দিনাজপুর স্বাস্থ্যসেবা ক্লিনিক ও কমফোট ডায়াগনিষ্টিক সেন্টার । এমন অভিযোগ উঠলেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন কোন আইনি পদক্ষেপ গ্রহন করছেন না কেন তাই জনমনে জন্ম নিয়েছে নানা প্রশ্ন। খোজ নিয়ে জানা যায় দিনাজপুর উপশহরে পানিরটেংকমোর সংলগ্ন এই দিনাজপুর স্বাস্থ্যসেবা ক্লিনিক ও কমফোট ডায়াগনিষ্টিক সেন্টার বাংলাদেশ প্রাইভেট প্রাকটিস এন্ড মেডিকেল এ্যাক্ট ১৯৯২ অনুযায়ী ক্লিনিক প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ও নির্ধারিত স্থান সম্মিলিত এবং নির্দিষ্ট জীবানু মুক্ত কক্ষ বিশিষ্ট ভবন অত্যাধুনিক অপারেশন থিয়েটার ও চিকিৎসার সরঞ্জামাদি প্রয়োজনীয় ঔষধপত্র বিশেষজ্ঞ পর্যায়ে ডাক্তার এবং সরকারিকোন অনুমোদন ছারাই চলছে এই প্রতিষ্ঠান এই প্রতিষ্ঠানে না আছে ডাক্তার না আছে নার্স (ডিপ্লোমা) না আছে জীবানু মুক্তকোন কক্ষ আছে সুধু অপারেশন থিয়েটারেরবেসিংএ মাকরশার তৈরী জাল । খোজ নিয়ে আর জানা যায় এই প্রতিষ্ঠান দুটি টি সুধু সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দালালদের মাধ্যমে রুগী সংগ্রহ করে থাকে পরে তারা রুগীদের সাথে দরকষাকষি অলোচনা সম্পর্ন হলে দিনাজপুর স্বাস্থ্যসেবা ক্লিনিক ও কমফোট ডায়াগনিষ্টিক সেন্টার মালিক রফিকুল ইসলাম পার্শবর্তি প্রাইভেট ক্লিনিক ও হাসপাতালে নিয়ে তাদের চিকিৎসা চালান এমনো অভিযোগ পাওয়াযায় চিকিৎসাসেবা নিতে আসা ভুক্তভুগী রুগীদের কাছে। আর জানা যায় এই দিনাজপুর স্বাস্থ্যসেবা ক্লিনিক ও কমফোট ডায়াগনিষ্টিক সেন্টার প্রতিষ্ঠানের মালিক চারজন তাদের মধ্যেকেউ চিকিৎসা সম্পের্কে অভিগ্যতার সাথে জরিত নয় তারা বিভিন্ন প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানের চতুর্থশ্রেনীর কর্মচারি মাত্র । দিনাজপুর স্বাস্থ্যসেবা ক্লিনিক ও কমফোট ডায়াগনিষ্টিক সেন্টার মালিক রফিকুলের সাথে মোবাইল ০১৭২৯৯৪২০৬০ নং যোগাযোগ করলে তিনি তথ্য প্রদানের বিষয়ে এরিয়ে যান তিনি “বলেন কত নিউজ হইলো এগুলো নিইজ করে আমাদেরকোন ক্ষতি হবেনা কয়েকদিন বন্দরাখব পরে আবার চালুকরবো ” অথচ ক্লিনিকগুলো সরাসারি সিভিল সার্জন অফিস দেখাশোনা করেন এবং এগুলো পরিদর্শনের জন্য একটি কমিটি আছে বটে কিভাবে প্রশাষনেরচোঁখে ফাঁকি দিয়ে এসব ব্যাবসা চলছে তা সাধারন মানুষের মাঝে জন্ম নিয়েছে নানা প্রশ্ন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এসব বিষয়ে দ্রুত আইনি পদক্ষে গ্রহন করে দেশের চিকিৎসা সেক্টরে পরিবর্তন আনবে বলে আশাবাদি ।


Spread the love