যুদ্ধাপরাধের রায় কার্যকরের মাধ্যমে অভিশাপমুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশ – শেখ হাসিনা

71
Spread the love

hস্টাফ রিপোর্টার : সোমবার রাতে দশম সংসদের অষ্টম অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, “যুদ্ধাপরাধের বিচার শেষ করতে না পারলে বাংলাদেশ অভিশাপমুক্ত হতে পারবে না। এসব রায় কার্যকর ও বিচারের মাধ্যমে দেশ অভিশামুক্ত হচ্ছে। আর অভিশাপমুক্ত হতে পারছে বলেই বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন হচ্ছে।’সংসদ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে আইএস, জঙ্গি আছে এ ধরনের ঘোষণা দেয়ার একটা পায়তারা চলছিলো। যেসব দেশ বাংলাদেশে আইএস আছে বলার চেষ্টা করছে তাদের দেশের অবস্থার তুলনায় বাংলাদেশের অবস্থা অনেক ভালো। আমরা বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ রাখতে পেরেছি। খালেদা জিয়ার আমলে যেখানে প্রতিদিনই খুনাখুনি লেগে থাকতো, সেখান থেকে আমরা ধীরে ধীরে শান্তিপূর্ণ অবস্থার দিকে যাচ্চি।’আইএস বা জঙ্গিরা যেন বাংলাদেশে আশ্রয় না পায় সেজন্য সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘যে যত ষড়যন্ত্র করুক বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা রোধ করতে পারবে না। আমরা নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশ নয়, উচ্চ আয়ের দেশেই পরিণত হবো।’প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে আরো বলেন, “হরতাল অবরোধ স্বত্ত্বেও আমরা ৬ দশমিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি। প্রায় দেড় কোটি বেকারকে কর্মসংস্থান দিতে সক্ষম হয়েছি। ৩৮ লাখের মতো বিদেশে পাঠিয়েছি। ১০০ অর্থনৈতিক অঞ্চল সারা বাংলাদেশে করব। সমগ্র বাংলাদেশব্যাপী এই শিল্প গড়ে তুলতে চাই। তাহলেই কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। যে এলাকায় যে পণ্য উৎপাদন হয়, সেগুলোকে সংরক্ষণ করার বিষয়ে কাজ করবে। দারিদ্র্যের হার ১৪ ভাগে নামিয়ে আনবো। এখন আর কেউ বাংলাদেশকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করতে পারে না।”বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘২০১৩ সালে নির্বাচন ঠেকাতে বিএনপি আন্দোলনের নামে শত শত মানুষকে হত্যা করেছিল, নির্বাচনকে বন্ধ করতে চেয়েছিল। অবরোধের নামে প্রায় ৫০০ মানুষকে হত্যা করা হয়েছিল। এছাড়া প্রায় ২ হাজার ৫৮৩টি গাড়ি, ১ হাজার ১৩৮টি প্রাইভেটকার, ১৮টি রেল, ৮টি লঞ্চ পোড়ানো হয়েছিল। এসব করে উনি কি পেয়েছেন প্রশ্ন রাখেন প্রধানমন্ত্রী।’


Spread the love