রাবি ছাত্র-শিক্ষকদের জন্য উন্মুক্ত হলো সুখরঞ্জন সমাদ্দার সাংস্কৃতিক কেন্দ্র

198
Spread the love

রাবি প্রতিনিধি : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সুখরঞ্জন সমাদ্দার ছাত্র শিক্ষক মিলনায়তন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষকদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানাদির জন্য উন্মূক্ত করে দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার মাধ্যমে মিলনায়তন টি উন্মূক্ত ঘোষণা করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় টিএসসিসির পরিচালক টি এম নূরুল মোদ্দাসের চৌধুরী সঞ্চালনায় এ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য ড. মুহম্মদ মিজান উদ্দীন, উপাচার্য পতœী, উপ-উপাচার্য চৌধুরী সারওয়ার জাহান, রাজশাহীর ভারতীয় দূতাবাসের সহকারী হাই কমিশনার সপতœীক অভিজিৎ চট্টোপাধ্যায় , বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র উপদেষ্টা মিজানুর রহমান, প্রক্টর প্রফেসর মজিবুল হক আজাদ খান, জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক মো. মশিহুর রহমান প্রমুখ। এসময় উপাচার্য বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শুধু পড়ালেখা, গবেষণা ও খেলাধুলায় নয় সাংস্কৃতিক অঙ্গনসহ সকল ক্ষেত্রে অগ্রসর হয়েছে। নিজে একজন সাংস্কৃতিক কর্মী হিসাবে বলতে পারি শিক্ষক শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক চর্চার এক বিশাল সাংস্কৃতিক চর্চা কেন্দ্রে উপনীত হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। এখন থেকে সাংস্কৃতিক আচার অনুষ্ঠানের জন্য শহীদ সুখরঞ্জন সমাদ্দার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রটি ছাত্র শিক্ষক সবার জন্য উন্মূক্ত হলো। শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহীনির গুলিতে নিহত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শহীদ সুখরঞ্জন সমাদ্দার সম্পর্কে তিনি বলেন, সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে শহীদদের স্মৃতি রক্ষা করা দায়িত্ব নয় মাত্র। তাদের স্মৃতি ধরে রাখা এবং তার প্রতিষ্ঠা করা আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য। ভারতীয় সহকারি হাই কমিশনার বলেন, অভিন্ন সংস্কৃতির দুইটি দেশ আমরা পাশাপাশি । মুক্তিযুদ্ধের সময় থেকে আমরা বাংলাদেশের পাশে ছিলাম এবং চিরদিনই থাকব।

উল্লেখ্য, ১৯৮৯ সালে টিএসসিসি ভবনের জন্য একটি নকশা তৈরি করে নেওয়া হলেও যাচাই বাছাই না করেই বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টেডিয়াম সংলগ্ন পানির ট্যাঙ্কের পাশে ১৯৯১ সালের ১৩ জানুয়ারি ভবনটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। কিন্তু নিমার্ণ ত্রুটির কারণে ভবনের ছাদের কাঠামো ভেঙে পড়ে। সর্বশেষ ২০১৩ সালে পুনরায় নিমাণ কাজ শুরু করে বর্তমান প্রশাসন। শুক্রবার সন্ধ্যায় বিজয় দিবসের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এটি সবার জন্য উন্মূক্ত ঘোষণা করেন বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য মুহম্মদ মিজানউদ্দীন।


Spread the love