লাখো মানুষের চোখের জলে সমাহিত হলেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী

94
Spread the love

jমৌলভীবাজার প্রতিনিধি : লাখো মানুষের চোখের জলে সমাহিত হলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ মহসিন আলী। গতকাল বুধবার বিকেল ৪টায় মৌলভীবাজার সরকারী কলেজ মাঠে জানাযা শেষে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে সৈয়দ শাহ মোস্তফা (র.) মাজারে মা-বাবার কবরের পাশে সমাহিত করা হয়। এর আগে তাকে দুপুর ১২টায় ঢাকা থেকে বিমান বাহিনীর একটি হেলিকপ্টারে মৌলভীবাজার স্টেডিয়ামে নিয়ে আসা হয় মহসিন আলীর মরদেহ। এসময় তার মরদেহ গ্রহণ করতে দলের বিভিন্ন শ্রেণীর নেতৃবৃন্দ ও পরিবারে সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরে মরদেহ স্টেডিয়াম থেকে নিয়ে যাওয়া হয় পৌরসভার দর্জীমহলের মন্ত্রীর নিজ বাসায়। বাসায় নিয়ে যাবার পর সৃষ্টি হয় এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের। স্বজন-ভক্ত আর শুভাকাঙ্খিদের আহাজারিতে দর্জিপাড়ার আকাশ-বাতাস ভারি হয়ে উঠে। পরে সেখান থেকে বেলা ২টায় মহসিন আলীর মরদেহ নিয়ে আসা হয় মৌলভীবাজার সরাকারী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে। বিকেল ৪টা পর্যন্ত সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনে জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়। বিকেল ৪টায় পুলিশ বাহীনির একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার শেষে জানাযার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাযার নামাজে ইমামতি করেন মৌলভীবাজার টাউন কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম সিদ্দিকী। জানাযার নামাজের পূর্বে বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ আ স ম ফিরোজ, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণায়য়ের প্রতিমন্ত্রী প্রমোদ মানকিন, হুইপ মোঃ শাহাব উদ্দিন, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, সাবেক চিফ হুইপ আবদুস শহিদ, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সাংসদ কেয়া চৌধুরী, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসাইন প্রমুখ।
উল্লেখ্য, গত ৪ সেপ্টেম্বর রাতে হবিগঞ্জের মাধবকুন্ডে আলোচনা সভা থেকে ফেরার পর রাতে শ্বাসকষ্ট শুরু হয় মহসিন আলীর। এরপরই মন্ত্রীকে ঢাকার বারডেম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। নিউমোনিয়া, কিডনিতে সমস্যা এবং ডায়াবেটিস রোগে মারাত্মক অসুস্থ সমাজকল্যাণ মন্ত্রীকে গত ৫ সেপ্টেম্বর উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর মাউন্টে এডোরা হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৪ সেপ্টেম্বর সকালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।


Spread the love