শার্শায় অনুদানের ভ্যাকসিন বিক্রি করেছেন কর্মচারীরা

71
Spread the love

dog20150623142821যশোর অফিস : কুকুরে কামড়ানো (জলাতঙ্ক) রোগের ভ্যাকসিনের অভাবে আতংকের মধ্যে রয়েছে যশোরের বেনাপোল-শার্শার মানুষ। টাকা দিয়েও মিলছে না ভ্যাকসিন। শার্শা উপজেলা (নাভারন) স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভ্যাকসিন নেই। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কালোবাজারে ভ্যাকসিন বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। ভ্যাকসিনের অভাবে আতংক ও উৎকন্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন শার্শার জলাতঙ্কের রোগীরা। সদর ইউপি চেয়ারম্যানের ফান্ড থেকে দেওয়া ভ্যাকসিন বিক্রি করে দেওয়ার সত্যতা মিলেছে। ফলে এ নিয়ে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে সাধারণ মানুষসহ রোগীর স্বজনদের মধ্যে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শার্শা সদর ইউপি চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন নিজস্ব ফান্ড থেকে ১০০টি ভ্যাকসিন কিনে নাভারন হাসপাতালের কর্মকর্তাদের কাছে দেন অনুদান হিসেবে। বলা হয়, তার দেওয়া সুপারিশপত্রে এলাকার রোগীদের মধ্যে ভ্যাকসিনগুলো বণ্টন করা হবে। ২৭ জন রোগীর সুপারিশপত্র দেন চেয়ারম্যান সোহরাব। সোমবার এলাকার আরো আট নারী-পুরুষ আসেন ভ্যাকসিনের সুপারিশপত্র নিতে। দেওয়া হয় সুপারিশপত্র। কিন্তু এই রোগীরা হাসাপাতালে গিয়ে ভ্যাকসিন পাননি। বিষয়টি চেয়ারম্যানকে জানালে প্রকাশ হয়ে পড়ে ভ্যাকসিন বিক্রির খবর। পিএসএ আবদার হোসেন ও কমরেশ ভ্যাকসিনগুলো বিক্রি করেছে দিয়েছেন বলে জানতে পারেন ইউপি চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন। অনুদানের ভ্যাকসিন বিক্রি করে দেওয়ার কথা স্বীকার করে হাসপাতালের জুনিয়র কলসালট্যান্ট (সার্জারি) ডা. জয়নাল আবেদীন মুকুল বলেন, ‘প্রথম দিকে চেয়ারম্যানের সার্টিফিকেট ছাড়াই শার্শা ও ঝিকরগাছা এলাকার কিছু রোগীকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। পরে আর বিতরণ করা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে সবার সঙ্গে কথা হয়েছে। আলাপ আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি নিস্পত্তি করা হবে।’ শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মঞ্জুরুল মুরশিদ জানান, প্রথম পর্যায়ে নতুন লোক দেওয়ায় ভুল হতে পারে। বর্তমানে সঠিকভাবে ভ্যাকসিন বিতরণ করা হচ্ছে।


Spread the love