সিলেটের দুই সেতু বৃহস্পতিবার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

150
Spread the love

hasina-pm-16সিলেট প্রতিনিধি : সিলেটের সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর উপর নবনির্মিত দু’টি সেতু আনুষ্টানিকভাবে উদ্বোধন হচ্ছে বৃহস্পতিবার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সিলেটের গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার সড়কের কুশিয়ারা নদীর উপর ‘চন্দরপুর সেতু’ ও সুনামগঞ্জের সুরমা নদীর উপর ‘আবদুজ জহুর সেতু’র উদ্বোধন করবেন। এ উপলক্ষে সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী সেতু দুইটি উদ্বোধনকালে গণভবনে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মন্নান, জ্যেষ্ট সংসদ সদস্য, আইন-বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) এর প্রকৌশল বিভাগ জানায়, এ সংক্রান্ত একটি চিঠি সিলেট পৌঁছেছে। প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় থেকে পাঠানো ওই চিঠিতে বলা হয়, ‘প্রধানমন্ত্রী ২০ আগষ্ট বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উল্লেখিত প্রকল্পগুলো উদ্বোধনের অনুমতি দিয়েছেন।’

২০০০ সালের ১৯ জুন তৎকালীন সংসদ সদস্য ও বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ চন্দরপুর-সুনামপুর সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। ২০০৪ সালে তখনকার সংসদ সদস্য সৈয়দ মকবুল হোসেন লেচু মিয়া আবারও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। সেতুর কাজও শুরু হয়ে কিছুদিন চলার পর তা থেমে যায়। ২০১৩ সালে সেপ্টেম্বর মাসে শিক্ষামন্ত্রী নাহিদ সেতুটির নির্মাণ কাজ ফের শুরু করেন। দু’বছরে ৩১ কোটি টাকা ব্যয়ে  সেতুটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়।

এদিকে ২০০৫-০৬ অর্থবছরে সুনামগঞ্জ শহরের মল্লিকপুর এলাকায় সুনামগঞ্জে সুনামগঞ্জ-কাঁচিরগাতি-বিশম্ভরপুর সড়কের ১ম কিলোমিটারে সুরমা নদীর ওপর ‘আব্দুজ জহুর সেতু’ নির্মাণ প্রকল্পের কাজ শুরু করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। তখন এর ব্যয় ধরা হয় ২৩ কোটি টাকা। কিন্তু প্রকল্পটির কাজ বেশ এগুনোর পর ২০১২ সালে হঠাৎ নির্মাণাধীন সেতু প্রকল্পটি সরকারের বার্ষিক উন্নয়ন পরিকল্পনা (এডিপি) থেকে বাদ পড়ে। পরবর্তীতে এটি আবার এডিপিতে যুক্ত হয়। নানা জটিলতায় শেষ হতে দেরি হয় সেতুটির নির্মাণ কাজ। ৪০২ মিটার দৈর্ঘ্য সেতুর ব্যয় দ্বিতীয় ধাপে বেড়ে হয় ৬৭ কোটি টাকা।


Spread the love