সুনামগঞ্জের আব্দুর জহুর সেতু রাতে অন্ধকার নিরাপত্তাহীনতায় সাধরন মানুষ

147
Spread the love

সুনামগঞ্জের আব্দুর জহুর সেতুতে লাইট নেই নিরাপত্তহীনতায় চলাচলের জনসাধারন-২৬.০৮.১৫ইংজাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া সুনামগঞ্জ : সুনামগঞ্জের ৪টি উপজেলা ও জেলার বহু প্রতিক্ষীত সুরমা নদীর উপর নির্মিত আব্দুর জহুর সেতুটি সন্ধ্যার পর নিরাপত্তাহীন অবস্থায় চলাচল করে হাজার হাজার মানুষ। আব্দুর জহুর সেতুটি সম্প্রতি উদ্ভোধন হলেও যানবাহন চলাচল উন্মুক্ত না করায় পায়ে হেটে সেতুটি পাড়ি হতে হয়। সেতুটির মূল অংশে সামনে লোহার বেড়ার মধ্যে সামান্য ফাঁকা থাকায় মানুষ পায়ে হেটে ও কোন রখমে মটর সাইকেল চলাচল করতে পারে। সেতুটির দু-পাড়ে যানবাহন অবস্থান করে যাত্রীদের উঠানো ও নামানোর জন্য। আর সেই যানবাহনের আলোয় আলোকিত হয় সামান্য সময়ের জন্য সেতুটিতে। সেতুর মধ্যে রাতের বেলায় জনসাধারনের চলাচলের জন্য কোন লাইট দেওয়া হয় নি ফলে অন্ধকার থাকে সম্পূন সেতুটি। সেতুটির মাঝ অংশে এখনো কিছু কাজ রয়েছে ফলে সেতুটিতে কাজে যন্ত্রপাতি পড়ে থাকায় যে কোন সময় চলাচল করতে গিয়ে আঘাত পাওয়া,মাঝের অংশে অন্ধকার ও লোকজন না থাকায় ছিন্তাই ও যে কােন ধরনের দূঘটনার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে অন্ধকারের মধ্য দিয়ে চলাচল করতে নিরাপত্তহীনতায় ভুগছে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা সর্ব স্থরের জনসাধরন। সেতুটি দিয়ে যানবাহন চলাচল না করায় পায়ে হেটে পার হতে হয় আর পায়ের গষাতেই উঠে যাচ্ছে রাস্তার ডালাই। নিন্ম মানের কাজ হওয়ার কারনে এমন গঠনা গঠছে বলে মনের করেন সুনামগঞ্জের সচেতন মহল। সেতুটি দু প্রান্তেই পরন্ত বিকাল বেলায় জনসমুদ্রে পরিনত হয়। আর এই জনসমুদ্রের তালে তাল মিলিয়ে সেতুর দু-প্রান্তে গড়ে উঠেছে ভ্রাম্যমান দোকান। চপপটি,ফুছকা,চা,পান,সিগেরেট সহ সেই দোকান গুলোতে পাওয়া যাচ্ছে আর সবাই খাচ্ছে সানন্দে। ভ্রাম্যমান দোকানের মালিকগন জানান-সেতুটিতে পুলিশ ও র‌্যাব আসা যাওয়া করে ঠিক আছে তার পরও সেতুটিতে নিরাপত্তার স্বার্থে বিশেষ করে সেতুর মাঝের অংশে লাইটের ব্যবস্থা করা এখন দরকার খুব বেশী। বাদাঘাট থেকে সুহেল আহমেদ সাজু সহ বেড়াতে আসা বিভিন্ন এলাকার লোকজন ও স্থানীয় এলাকাবাসী জানান-নিরাপত্তার স্বার্থে সেতুটিতে আলোর ব্যবস্থা করা খুবেই প্রয়োজন। সন্ধ্যার পর এখানে ভয় লাগে,অন্ধকার ভূতুরে পরিবেশ সৃষ্টি হয়। যে কোন সময় অনাক্ষাখিত গঠনা গঠতে পারে। সেতুটিতে যানবাহন চলাচলের জন্য দ্রুত উন্মুক্ত করা দাবী জানান সর্বস্থররে মানুষ। জেলা প্রশাসক-জানান খুব শ্রীঘই সেতুটিতে লাইটের ব্যবস্থা ও যানবাহন চলাচল করা জন্য উন্মুক্ত করা হবে।


Spread the love