সুনামগঞ্জে বিক্রি হচ্ছে ভেজাল ও নিন্ম মানের বেকারী সামগ্রী

81
Spread the love

19 copyজাহাঙ্গীর আলম ভুঁইয়া,সুনামগঞ্জ : সুনামগঞ্জের তাহিপুর উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের আনাচে কানাচে ব্যাঙ্গের ছাতার মত গড়ে উঠেছে অসংখ্য খাদ্য উৎপাদনকারী বেকারী। বিক্রি হচেছ ভেজাল ও নিন্ম মানের বেকারী সামগ্রী আর তাদের ব্যবসা জমজমাট। সুনামগঞ্জ জেলার ১১টি উপজেলা সুনামগঞ্জ সদর,বিশ্বাম্ভরপুর,জামালগঞ্জ,ধর্মপাশা সহ প্রতিটি উপজেলায় তৈরি করা হচ্ছে ভেজাল ও নিন্ম মানের বেকারী খাদ্য সামগ্রী। প্রতিটি উপজেলায় ভেজাল বিরোধী অভিযান ও তদারকি না থাকায় যেখানে সেখানে গড়ে উঠছে বেকারী । বিএসটিআইর অনোমুদন ছাড়াই চলছে এসব বেকারী। অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে ক্ষতিকর অ্যামোনিয়া,সালফেট,হাইড্রলিক রং পচাঁ ডিম ও নিন্ম মানের তৈল,আটা,ময়দা ব্যবহার করে নানান ধরনের বিস্কুট ও পাউরুটি তৈরী করে বাজার জাত করে আসছে র্দীঘ দিন ধরে। এ ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে জানাযায়-প্রায় ৩ যুগের ও বেশি সময় ধরে এসব বেকারী তাহিরপুর উপজেলার প্রতিটি বাজারেই গড়ে উঠেছে আর অবৈধ ভাবে প্রশাসনের চোখে আগুল দিয়ে জমজমাট ব্যবসা পরিচালনা করছে। কিন্তু উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ কোন প্রকার বেজাল বিরোধী অভিযান পরিচালনা ও কার্যকর কোন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহনের খবর পাওয়া যায় নি। সারা দেশে ভেজাল বিরোধী অভিযান প্ররিচালিত হলেও আজ পর্যন্ত তাহিরপুর উপজেলায় অভিযান লক্ষ্য করা যায় নি। ফলে এ শিল্পের মালিক সহ বিভিন্ন ভেজাল ব্যবসায়ীরা সংশ্লিষ্ট উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টরকে মাসিক মাসোহারা দিয়ে বছরের পর বছর এসব ভেজাল দ্রবের ব্যবসা করে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে স্থানীয় এলাকাবাসীর। এর ফলে সরকার বিপুল পরিমান রাজস্ব হারাচেছ। অন্যদিকে অবৈধ বেকারী মালিকরা বিএসটিআই নকল সীলমোহর মেরে প্রসাশনের চোখে ধুলো দিয়ে পন্য বাজার জাত করছে। অনেক বেকারী রয়েছে যাদের কোন প্রকার বিএসটিআই ও সরকারী অনুমদনের কাজ পত্র নেই। এতে করে তাহিরপুর উপজেলার লাখ লাখ মানুষ নিজের অজান্তেই এসব অনুমোদন বিহীন নিন্ম মানের খাদ্যসামগ্রী ক্রয়করে তা মানসম্মত মনে করে বিষ খাচেছ। ফলে তারা পেটের বিভিন্ন রখমের পেটের পিড়া সহ নানান ধরনের রোগব্যাধিতে ভোগছেন। তাহিপুর সদর সহ বাদাঘাট,বাগলী.চারাগাঁও,নতুন বাজার,একতা বাজার,আনোয়ারপুর,বালিজুরী,শ্রীপুর,বড়ছড়া,কলাগাঁও বাজার সহ অর্ধশতাধিক বেকারী তে অস্বাস্থ্যকর,অপরিষ্কার ও নোংরা পরিবেশে খালি হাতেই তৈরি করছে বিভিন্ন প্রকার বিস্কুট,পাউরুটি,বনরুটি সহ ২০ রখমের তৈরী খাদ্য সামগ্রী। বিভিন্ন বেকারীতে ক্ষতিকারক বেকিং পাউডারের পরিবর্তে অ্যামোনিয়া,সালফট,পাচাঁ ডিম,হাইড্রলিক রং ও নিন্ম মানের আটা,তৈল মিশ্রন করে তৈরি করছে খাদ্য সামগ্রী। এলাকাবাসী জানায়-তাহিরপুর উপজেলায় খাদ্যের মান তদারকি করার জন্য প্রসাশনের পক্ষ থেকে কোন পদক্ষেপ নেই। আর যদি কোন অফিসার তদারকি করার জন্য আসে তাহলে টাকা খেয়ে চলে যায়। ফলে অসাধু ব্যবসায়ীরা কোন রখম বাধা ছাড়াই ভেজাল পন্য উৎপাদন করে বাজার জাত করছে ও তারা বিক্রি করার সুযোগ পাচেছ। এসব ভেজাল খাদ্য উপৎপাদন কারীদের বিরোদ্বে জরুরী ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানান তাহিরপুর উপজেলাবাসীর। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তর গন বলেন-অপরিস্কার ভাবে উৎপাদিত খাবার খেলে বিভিন্ন ধরনের পেটের পীড়ায় আক্রন্ত হবার সম্ভাবনা আছে। তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন জানান-হোটেল-বেকারী,রেস্তোরার কে সব সময় পরিস্কার ও পরিচ্ছন পরিবেশে খাদ্য পরিবেশন করার জন্য বলেছি যারা অমান্য করবে তাদের বিরোদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুল জানান-কোন অন্যায় কেই ছাড় দেওয়া হবে না। যারা খাদ্যে বেজাল ও  অপরিচ্ছন্ন ভাবে খাদ্য পরিবেশন করবে তাদের চিহ্নিত কবে আইনের আওতায় অনা হবে।


Spread the love