সুন্দরগঞ্জে আড়াইশ পরিবারের বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন

57
Spread the love

1ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধা, প্রতিনিধি : সুন্দরগঞ্জে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি ও ভাঙ্গন অব্যাহত থাকায় আড়াইশ পরিবারের বসভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙ্গন কবলে পড়েছে আরও শ’শ’ পরিবার। ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পানির ঢলে উপজেলার বেলকা, হরিপুর, কঞ্চিবাড়ি, শ্রীপুর, চন্ডিপুর ও কাপাসিয়ার ইউনিয়নের মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি বৃদ্ধি ও ভাঙ্গন অব্যাহত রয়েছে। নদীদ্বয়ের চরাঞ্চল ও কূলবর্তী বসবাসকারি মানুষজন ভাঙ্গন বন্যা কবলে পড়েছেন। এ পর্যন্ত কাপাসিয়া ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড ছাড়া অপর ৮ ওয়ার্ড, শ্রীপুর ইউনিয়নের উত্তর ও দক্ষিন শ্রীপুর, কঞ্চিবাড়ি ইউনিয়নের ছয়ঘড়িয়া, হরিপুর ইউনিয়নের হাজারির হাট, চড়িতাবাড়ি, বোছাগাড়ি, হরিপুর খেয়াঘাট ও বেলকা ইউনিয়নের কিশামত সদর, বেলকা নবাবগঞ্জ নামক স্থানে নদী ভাঙ্গন অব্যাহত থাকায় আড়াইশ পরিবারের বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙ্গন কবলে পড়েছে আরও শ’শ’ পরিবার। ভাঙ্গন ও বন্যা কবলিত পরিবারগুলো বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রসহ নদীদ্বয়ের বেরিবাঁধে আশ্রয় নিচ্ছেন। কাপাসিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মঞ্জু মিয়া, হরিপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোজাহারুল ইসলাম, শ্রীপুর ইউপির চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম, বেলকা ইউপির ইব্রাহিম খলিলুল্ল্যাহ, কঞ্চিবাড়ি ইউপির মনোয়ার আলমের সঙ্গে কথা হলে জানান গত ৩দিন ধরে নদীর পানি হু-হু করে বাড়ছে। এ পর্যন্ত কূলবর্তী চরাঞ্চলে বসবাসকারি বন্যা কবলে পড়েছেন। তাদের জন্য বরাদ্দ মেলেনি। তবে তালিকা প্রণয়নের নির্দেশ পেয়েছি। দুর্গতদের জন্য ত্রানের বরাদ্দ চেয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আবেদন করা হয়েছে বলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মুহাম্মদ হাবিবুল আলম জানান।


Spread the love