সুন্দরগঞ্জে কৃষকের ডাক্তার কৃষিবিদ রাশেদুল

80
Spread the love

গাইবান্ধা প্রতিনিধি : ডাক্তাররা চেম্বার খুলে মানুষ পশু-পাখির চিকিৎসা এবং পরামর্শ প্রদান করে থাকেন নিয়মিত। কিন্তু চেম্বার খুলে বা পরামর্শ কেন্দ্র চালু করে কৃষিতে বিভিন্ন ফসলের চিকিৎসা এবং পরামর্শ প্রদান করেন এটি নতুন চালু করেছেন সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাশেদুল ইসলাম। দাপ্তারিক বিভিন্ন কাজের পাশাপাশি প্রতিনিয়ত কৃষকদের বিভিন্ন ফসলের রোগ বালাই এবং কীট নাশক নিধনের পরামর্শ প্রদান করে আসছেন রাশেদুল। নিজ কার্যালয়ের পার্শ্বের একটি কক্ষে বিভিন্ন কীট পতঙ্গের স্লাইড এবং পোস্টার দেখিয়ে কৃষকদের পরামর্শ প্রদান করা হয়। কৃষকরা বিভিন্ন ফসল ডাল-পালা এবং অঙ্কুর স্বশরীরে নিয়ে পরামর্শ কেন্দ্র হতে পেসস্ক্রিপশন করে নিয়ে গিয়ে কীট নাশক প্রয়োগ করে কীট পতঙ্গ নিধন করছেন। কথা হয় পরামর্শ নিতে আসা উপজেলার বেলকা ইউনিয়নের কৃষক সবুজ মিয়ার সাথে। তিনি বলেন আমার মরিচের গাছ দিনদিন শুকে যাচ্ছিল। অনেক বালাই নাশক প্রয়োগ করে কোন কাজ হয়নি। তাই মরিচের গাছ নিয়ে স্যারের কাছে এসেছি। তিনি গাছ দেখে আমাকে ওষুধ লিখে দিয়েছেন। এর আগে আমার এলাকা হতে বেশ কয়েকজন কৃষক স্যারের কাছ থেকে পরামর্শ নিয়ে গিয়ে ওষুধ প্রয়োগ করে ভালো ফলন পেয়েছেন। সেই কারণে আমি এসেছি। উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাশেদুল ইসলাম জানান, দীর্ঘ দুই মাস হতে আমি নিয়মিত ভাবে কৃষককে পরামর্শ প্রদান করে আসছি। স্লাইড এবং প্রদর্শনীর মাধ্যমে বিভিন্ন ফসলের রোগ ব্যালাইয়ের লক্ষণ দেখিয়ে বা ফসলের গাছ-ডাল-পালা দেখে পরামর্শ প্রদান করা হয়। প্রতিদিন যেসব কৃষককে পরামশর্ম প্রদান করা হয় তাদের একটি রেজিষ্ট্রার রয়েছে। কি ধরণের পরামর্শ প্রদান করা হলো তা ওই রেজিষ্ট্রারে লিপিবদ্ধ রয়েছে। তিনি আরো বলেন, আমি যদি কোন দিন অফিসে না থাকি তা হলে পিপি আই ছাদেক হোসেন কৃষকদের পরামর্শ প্রদান করে থাকেন। আমার বিশ্বাস এতে করে কৃষকরা কীট নাশকের দোকান থেকে মনগড়া আর বালাই নাশক ক্রয় করবেন না। কীট নাশক দোকান মালিকদের মনগড়া পরামর্শের কারণে অনেক কৃষক চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে আসছেন।


Spread the love